উত্তরবঙ্গের সব নদীর জলস্তর বাড়ল, জারি হলুদ সতর্কতা

আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১৬ জুন: পাহাড় ও সমতলে বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের সব নদীর জলস্তর বাড়ল। জলপাইগুড়ি তিস্তা নদীর দোমহনী থেকে ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সঙ্কেত জারি রয়েছে।

বুধবার দুপুর ৩.২০টা হলুদ সঙ্কেত জারি হয়েছিল, বৃহস্পতিবারও হলুদ সঙ্কেত জারি রয়েছে। অন্যদিকে জলঢাকা নদীর ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের অসংরক্ষিত এলাকায় এ দিন সকাল ৮.২৫টা হলুদ সঙ্কেত জারি করা হয়েছে। সেচ দফতর সুত্রে জানা গিয়েছে, ১৯ জুন পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

গতবছর তুলনায় এবছর এখনো পর্যন্ত অনেকটাই বৃষ্টি হয়েছে, তার জেরে নদীর জলস্তর বেড়েছে। গতবছর এই সময়ে জলপাইগুড়িতে বৃষ্টি হয়েছিল ৬০৫.৪০ মিলিমিটার, এবছর বেড়ে হয়েছে ৯০৮.৪০ মিলিমিটার। গত বছর আলিপুরদুয়ারে ৯৩৪.২০মিমি. বৃষ্টি হয়েছিল, এবছর বেড়ে হয়েছে ১৯৭৪.২০ মিলিমিটার, কোচবিহারে ৫৭৪.৫০ মিলিমিটার হয়েছিল, এবছর ১৯৮৫.৭০ মিলিমিটার হয়েছে। এছাড়া শিলিগুড়িতে গতবছর ৭৪২.৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল, এবছর ৯৭৪.৮০ মিলিমিটার হয়েছে। মালবাজারে গতবছর ৯৮৫.২০ মিলিমিটার হয়েছিল, এবছর ১৩৮১.৯০ মিলিমিটার হয়। হাসিমারাতে ৫২৭.০০ মিলিমিটার হয়েছিল, এবছর ১৪৩৩.০০ মিলিমিটার হয়। অন্যদিকে বানারহাটে ১০০৪.৫৫ মিলিমিটার হয়েছিল এবছর ২৫৭০.১০ মিলিমিটার হয়েছে। মাথাভাঙা ৪৩৫.৭০ হয়েছিল এবছর ১৩৩৩.৮০ মিলিমিটার হয়েছে। তুফানগঞ্জে ৫৭৫.৬০ ছিল এবছর ১৯১৮.৪০মিলিমিটার হয়। ময়নাগুড়িতে ৫৫৮.০৪ হয়েছিল গতবছর ১২৫১.১২ মিলিমিটার হয়েছে।

জলপাইগুড়ি সেচ দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জীব কুমার সেনগুপ্ত বলেন, “হলুদ সঙ্কেত জারি রয়েছে তিস্তা ও জলঢাকা এলাকায়। গতবছরের থেকে এবছর বৃষ্টি বেশি হয়েছে। পরিস্থিতি উপর নজরদারি চলছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *