আমাদের ভারত, ৩০ জুলাই: তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাস সত্বেও এসএসসি-র তালিকাভূক্ত কর্মপ্রার্থীদের আন্দোলন চলবে বলে শনিবার জানিয়েছেন তাঁদের অন্যতম নেতা চন্দন প্রধান। তিনি জানিয়েছেন, অনেকের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারিনি ব্যস্ত থাকার কারণে। তাই আজ লিখে জানালাম।
১. বৈঠক কি পজিটিভ? চাকরী হবে? — বৈঠক শাসকদলের একজন নেতার সাথে কথা হয়েছে, যিনি শিক্ষা মন্ত্রী এবং উনার দলের কর্মীকে সাথে নিয়ে অভিযোগ শুনলেন এবং নির্দিষ্ট দফতরে সেটা জানাবেন বললেন। আমরা ওই দফতরে আগেও জানিয়েছি , পরিবর্তে পেয়েছি তিরস্কার আর রক্ত চক্ষু। তাই ওই দফতর সততার সাথে কাজ করবে ভাববো কি করে? চুরি তো ওই দফতরই করেছে।
২. মঞ্চ উঠে যাবে না তো? —না। মঞ্চ উঠবে না। কারণ আপনারা জানেন এই মঞ্চ সবসময়ই একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর মুখ বদলায়। আপনারা ভেবে দেখুন প্রতি ২-৩ মাস অন্তর দফতরে যাওয়ার লোক ও মিডিয়াতে মন্তব্য করার লোক পাল্টায়। তাই সেটিং বা মঞ্চ ভাঙ্গা আর সম্ভব নয়। থিঙ্ক ট্যাংক এই সরকার কোনো দিনই খুঁজে পাবে না। তাই মঞ্চ ভাঙছে না।
৩. চাকরী কবে হবে? যদি আমরা মামলায় জিততে পারি। যদি জজ সাহেব আমাদের পক্ষে রায় দেন তবেই আমরা চাকরী পাবো অন্যথায় কে কি বলল তাতে কিছু যায় আসে না।
৪. শুক্রবার ডাকলো কেনো? – আর রাস্তা ছিল না। আমরা জয়ের লক্ষ্যে অনেক পথ এগিয়ে এসেছি। এখন সরকার একটু কোমল না হয়ে আগের মত গা জয়ারি, আটক বা মঞ্চ ভাঙ্গচুর করলে আরো বেশি মুখ পুড়বে। তাই একটু কোমল তো হতেই হবে। মানবিক হলে ৫০৩ দিন লাগে?
চাকরী যদি পাই সেটা হবে রাষ্ট্র শক্তির রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে, নিজের অধিকার আদায়ের জন্য বুক চিতিয়ে লড়াই ও মহানান্য উচ্চ আদালতের জন্য।
যাঁরা সমর্থন আর সাহস যুগিয়েছেন তাঁদের প্রতি অবশ্যই কৃতজ্ঞতা থাকবে। অন্যথায় আমাদের আন্দোলন আরও বৃহত্তর আকারে চালিয়ে যেতে হবে। হকের দাবী না দিয়ে পালাবার পথ নেই। তাই সরকারকে সমাধানের পথ খুঁজতেই হবে।“

