আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১২ জুলাই: প্রায় কুড়ি বছরে পুরোনো কদম গাছ বেআইনিভাবে কাটা হচ্ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি বনদফতর অভিযান চালালো শহরের বাবুপাড়া পাঠাগারে। অভিযোগ, পাঠাগারের ভিতরে গাছ কাটা হচ্ছিল, বনদফতর গাছ কাটা বন্ধ করে বাজেয়াপ্ত করল গাছ কাটার করাত, দড়ি ও দা। সর্তক করা হল দায়িত্বে থাকা পাঠাগারের সদস্যদের।
গাছের ডাল হোক কিংবা গাছ কাটতে গেলে বনদফতরের অনুমতি প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনুমতি না নিয়ে বাবুপাড়া পাঠাগার কর্তৃপক্ষ প্রায় কুড়ি বছরের পুরোনো কদম গাছ কেটে ফেলার চক্রান্ত করে বলে অভিযোগ। এ দিন গাছ কাটার কাঠুরেদের ডেকে রীতিমতো গাছের সব ডাল কেটে ফেলা হয়। বনদফতরের দাবি, এভাবে গাছের ডাল কাটা যায় না। যেভাবে গাছ কাটা হয়েছে গাছের খুবই ক্ষতি হয়েছে।খবর পেয়ে তড়িঘড়ি না পৌঁছলে পুরো গাছটা কেটে ফেলা হত। সময় মত এসে গাছ কাটা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এক কাঠুরে বাবলু রায় বলেন, “আমাদের এখান থেকে জানানো হয় একটা ডাল রেখে গাছের সব ডাল কেটে দেওয়ার জন্য।” বাবুপাড়া পাঠাগারের সহকারী সম্পাদক তথা প্রাক্তন শিক্ষক তপন কুমার ঘোষ বলেন, “আমি জানতাম না এভাবে গাছ কাটা যায় না। বনদফতর এসেছিল গাছ কাটা বন্ধ করে দিয়েছি।”

বনদফতরের জলপাইগুড়ি রেঞ্জের রেঞ্জার সুশান্ত নাহা বলেন, “পুরোনো গাছ। ডাল কাটা যায় কিন্তু যেভাবে ডাল করা হয়েছে এটা বেআইনি। সর্তক করা হল কর্তৃপক্ষকে।”

