“পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল তালিবানের থেকে কোনও অংশে কম নয়,” ধর্মতলায় শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবসে শাসকদলকে তোপ সুকান্তর

আমাদের ভারত, ২ মে: ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ধর্মতলায় শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন করলো বিজেপি। সেই সভা মঞ্চ থেকে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে শাসক শিবিরের অত্যাচারের অভিযানের কথা তুলে ধরেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি এদিন তৃণমূলের হিংসাত্মক ঘটনায় জড়িত কর্মীদের তালিবানদের সঙ্গে তুলনা করেন।

সুকান্তবাবু বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের যে হার্মাদরা বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে অমানবিক ব্যবহার করেছে, তারা তালিবানের থেকে কোনো অংশে কম নয়। পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলের সেই সব কর্মীরা তালিবান নামে খ্যাতো হয়েছে। তিনি এদিন ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিজিৎ সরকারের খুনের ঘটনায় মনে করিয়ে বলেন, “এই অত্যাচার দেখে আমার কবির ভাষায় সেই সময় শুধু এটুকুই বলতে ইচ্ছে করেছিল, “কন্ঠ আমার রুদ্ধ আজিকে বাঁশি সঙ্গীত হারা, অমাবস্যার কারা। কবি হয়তো এদের কথা স্মরণ করেই এই লাইনগুলি লিখে গিয়েছিলেন।”

ভোট পরবর্তী ভয়াবহ হিংসার কথা তুলে ধরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, একটি বাচ্চা মেয়ে তাকে ফোন করে বলেছিল, “আমি মানস বাবুর মেয়ে বলছি। আমার বাবাকে মেরে সিঁড়ি থেকে ফেলে দিয়েছে। কোথাও হাসপাতালে ভর্তি করতে পারছি না। আপনি একটু ব্যবস্থা করে দিন।” সুকান্তবাবু জানান, তারা হাসপাতলে ভর্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে যখন তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হয়ে কলকাতায় এসেছিলেন তখন মানসবাবুর মেয়ের সামনে তার মৃত দেহে ফুল দিতে হয়েছিল সুকান্তকে। তিনি বলেন, “এই ঘটনা আমি কোনোদিন ভুলিনি, ভুলবো না”।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, এই হত্যা ও অত্যাচারের ঘটনা ২০১৮ সালে অজিত মুর্মুকে দিয়ে শুরু হয়েছিল। ১৮ সালের ৪ জুলাই নমিনেশন করতে গিয়ে তাকে প্রাণ দিতে হয়েছিল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, সোনার বাংলা গড়তে এই বলিদান কখনো ব্যর্থ হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *