আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ৭ নভেম্বর : “মার খেতে খেতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, প্রতিরোধের সময় এসেছে। এবার পাল্টা দিতে হবে,” বললেন, ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। শনিবার বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং নদীয়ার কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে বীজপুর মণ্ডলের আক্রান্ত ২ বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান। সেখানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে পাল্টা প্রতিরোধের কথা বলেন।
শুক্রবার রাতে হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধকে দাহ করতে গেলে শ্মশানের মধ্যেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে পেটায় ২ বিজেপি কর্মী শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলিকে। রক্তাক্ত অবস্থায় গভীর রাতে তাদের কল্যাণীর জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে ওই হাসপাতালে গিয়েছিলেন সাংসদ অর্জুন সিং।
তিনি বলেন, “তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা যেভাবে হামলা করছে, পাল্টা প্রতিরোধের সময় এসেছে। আমাদের কর্মীরা মার খাচ্ছে, পুলিশ চুপ করে বসে আছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, এবার পাল্টা দিতে হবে। পাল্টা প্রতিরোধের সময় এসেছে। আর চুপ করে বসে থাকব না আমরা। তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে। জনসমর্থন নেই। তাই আমাদের নিরীহ কর্মীদের উপর হামলা করছে। তৃণমূলের সরকার আর বেশিদিন নেই। এভাবে মারধর করে বিজেপির জয় আটকাতে পারবে না।”
তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বিজেপি কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাকে বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল বলে দাবি করেছে তৃণমূল। বীজপুর থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই ঘটনায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

