পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, ঝাড়গ্রাম: গ্রীষ্মের পড়ন্ত দুপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল হনুমানের। তার মৃত্যু বার্ষিকীতে এলাকার মহিলা এবং গৃহবধূদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হলো বজরংবলীর মন্দির। ঝাড়গ্রাম শহরের দু’নম্বর ওয়ার্ডের বাছুরডোবা এলাকার ইয়ং ইলেভেন ক্লাবের মাঠে একটি কোনায় প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে এই হনুমানজীর মন্দির।

গত বছর ২৮শে এপ্রিল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাছুরডোবা এলাকায় ইয়ং ইলেভেন ক্লাবের ময়দানের কাছে মৃত্যু হয় একটি হনুমানের। এলাকার মানুষজন মাঠের ওইখানেই সমাধি তৈরি করে হনুমানটির। এলাকায় কোনো হনুমানের মন্দির না থাকায় মহিলারা একত্রিত হয়ে মন্দির তৈরি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তারপরেই দীর্ঘ অর্থ সংগ্রহের জন্য বাড়ি বাড়ি চাঁদা এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে ডোনেশন আদায় করে এলাকার মহিলা এবং গৃহবধূরা। তারপরেই নির্মাণ করা হয় হনুমানজীর মন্দির। রবিবার সকালে ঝাড়গ্রাম শহরের সাবিত্রী পুকুর থেকে প্রায় শতাধিক মহিলা ঘট মাথায় করে জল নিয়ে আসে হনুমানের মন্দির প্রতিষ্ঠার জন্য। মন্দিরের প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে নরনারায়ণ সেবারও আয়োজন করা হয়েছে।

পুজোর উদ্যোক্তাদের মধ্যে তুহি দাস বলেন, “গত বছর আজকের দিনেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একটি হনুমানের মৃত্যু হয়েছিল এখানে। আমরা সকলে মিলে এইখানেই তার সমাধি তৈরি করেছিলাম। তাই তার সমাধির উপরে মন্দির তৈরি করে তা প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এলাকার সমস্ত মহিলারা একত্রিত হয়ে অর্থ সংগ্রহ করে এই মন্দির নির্মাণ করেছি। এখানে অন্যান্য দেবতার মন্দির থাকলেও হনুমানজীর মন্দির ছিল না। তাই আমরা হনুমানজীর মন্দির তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ আমরা আনন্দের সঙ্গে দিনটিকে পালন করছি”।


