আমাদের ভারত, ১৬ ফেব্রুয়ারি: তিন শিল্পীর উপর্যুপরি প্রয়াণে ব্যথিত আর এক শিল্পী বাবুল সুপ্রিয়। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মতে, ওঁরা চলে যাননি। ওঁরা চিরকালীন।
বুধবার একটি টুইটারে বাবুল লিখেছেন—
লতা মঙ্গেশকর ১৯২৯-২০২২,
সন্ধ্যা মুখার্জি ১৯৩১-২০২২,
বাপ্পি লাহিড়ী ১৯৫২-২০২২।
এটা ভুল।
ঠিকটা হল
লতা মঙ্গেশকর ১৯২৯- চিরকালীন,
সন্ধ্যা মুখার্জি ১৯৩১-চিরকালীন,
বাপ্পি লাহিড়ী বাপ্পি লাহিড়ী ১৯৫২-চিরকালীন।
তিন শিল্পীকে হ্যাশট্যাগ করে কিংবদন্তি আখ্যা দিয়েছেন বাবুল। অপর একটি টুইটারে বাবুল লিখেছেন, প্রবাদপ্রতীম কণ্ঠশিল্পী সন্ধ্যা মুখার্জির মৃত্যু মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর ৯০ বছর বয়স হয়েছিল সত্যই, কিন্তু মাতৃত্বের মত তাঁর উপস্থিতি সমগ্র বাংলার সঙ্গীত সম্প্রদায়ের জন্য স্বস্তিদায়ক। তাঁর প্রয়াণ একটি অপূরণীয় ক্ষতি। এখন আমরা আর পেলাম আর এক কিংবদন্তি শিল্পী বাপ্পি লাহিড়ীর অকাল মৃত্যুর খবর। মাত্র ৬৯-এ চলে গেলেন। আর একজন বাপ্পিদা নেই। তিনি ছিলেন অনন্য, ‘সাব সে আলগ’। তিনিই নিশ্চয়ই একজন যিনি ডিসকো ড্যান্সার, ‘সুপাররুনা’ অ্যালবামের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডান্স মিউজিকের (ইডিএম) সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।
কিন্তু তার অনেক আগে থেকেই, কিশোরদের সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে শুরু করেছিলেন। তিনি আমাদের অনেক অমর গান দিয়েছেন। কয়েক দশক ধরে তা চালিয়ে গেছেন।
সুরের আকাশে যখন আমরা ইতিমধ্যেই ‘গীতশ্রী’ সন্ধ্যাদিদিকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ, আমাদের সবার মধ্যে তিনি ছিলেন। বাপ্পিদা-র মত একটি ঝলমলে তারকাকেও হারালাম। যেমনটি তিনিও আমাদের সকলের জন্য ছিলেন। লক্ষ লক্ষ শ্রোতাকে এত আনন্দ দেওয়ার পরে, তাঁদের আত্মা শান্তিতে থাকুক। যেখানে তাঁরা বাস করুন আমাদের হৃদয় চিরতরে তাঁদের সঙ্গে থাকবে। ওম শান্তিঃ।

