জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ৫ মার্চ: ইউক্রেনে ডাক্তারি পড়তে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা একে একে বাড়ি ফিরছেন। শনিবার রাতে হাঙ্গেরি থেকে দিল্লি কলকাতা হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ইউক্রেনে আটকে থাকা দাঁতনের ডাক্তারি পড়ুয়া অনন্যা পাইক। সেন্ট্রাল কিয়েভ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী অনন্যাকে দমদম বিমানবন্দর থেকে রাত বারোটা নাগাদ তাদের গড়হরিপুর গ্রামে নিয়ে আসেন বাবা অশোক পাইক ও মা অপর্ণা পাইক। ২ মার্চ হাঙ্গেরি থেকে বিমানে করে তিন তারিখ দিল্লি পৌঁছান অপর্ণা। সেখানে একদিন থেকে গতকাল সন্ধ্যায় কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছান।
এদিনই ভিলিতশিয়া থেকে ফিরেছেন খড়্গপুরের পনেরো নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রবীন কুমার। প্রবীণ সেখানকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইউনিভার্সিটির তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। ভারত সরকারের উদ্যোগে শুক্রবার রাতে সে দিল্লি পৌঁছায়। এরপর রাজ্য সরকারের সহায়তায় দিল্লি থেকে শুক্রবার রাতে বাড়ি পৌঁছান। ইউক্রেন থেকে এদিনই দাঁতনের বাড়িতে পৌঁছেছে আরেক ডাক্তারি পড়ুয়া অর্ণব দাস। রবিবার তাকে সংবর্ধনা জানান বিধায়ক বিক্রম প্রধান।
শুক্রবার ইউক্রেন থেকে রওনা দিয়েছেন শালবনি টাকশালের কর্মী নির্মাল্য মুখার্জির ছেলে রোহন মুখার্জি। মাইকোলাইভের ব্ল্যাক সি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এই ছাত্র রোমানিয়া থেকে সি- ১৭ বিমানে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। ওই বিমানেই ফিরছেন মেদিনীপুর শহরের কুইকোটা এলাকার বাসিন্দা সায়ন দাস। কিয়েভ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সে।

