প্রতীতি ঘোষ, আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর,২ খাদি ও বস্ত্র শিল্পীদের উন্নতির জন্য রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই শিল্পের যেসব মানুষ যুক্ত রয়েছেন তাঁরা খুবই সমস্যায় আছে তাই তাদের উপকারের জন্য সরকারের কিছু করা উচিৎ। আজ গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষ্যে প্রধান মন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে ব্যারাকপুরে খাদির দোকানে খাদি কাপড় কিনতে এসে এই ভাবেই আবেদন করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ
গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষ্যে প্রধান মন্ত্রী সকলের কাছে দেশের খাদি শিল্পীদের অবস্থার উন্নতির জন্য খাদি বস্ত্র কেনার আবেদন জানান। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে এদিন ব্যারাকপুর চিড়িয়া মোড়ে গান্ধী মূর্তিতে মাল্যদান করতে এসে দিলীপবাবু পৌঁছে যান ব্যারাকপুর খাদি বস্ত্রের দোকানে। সেখান থেকে তিনি খাদি বস্ত্র কেনেন। তিনি এদিন সবাই কে বলেন, “আমি বহু বছর ধরে খাদি বস্ত্র ব্যবহার করি। আমাদের সকলের উচিত দেশীয় এই বস্ত্র কেনা ও ব্যবহার করা। গান্ধীজি নিজে এই খাদি বস্ত্র কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সচেষ্ট হয়েছিলেন। আমাদের উচিত সেই পথে চলা। আমাদের প্রধান মন্ত্রী তাই চান যাতে খাদি বস্ত্রের শিল্পীরা বাজার পান। আর আমাদের রাজ্যের তাঁতীদের অবস্থা ভালো না। তাদের দিকটাও আমাদের দেখা উচিত। সরকারের আরো বেশি করে এই তাঁতীদের লোন দেওয়া, আরো তাতের হাট যাতে বসে তার ব্যবস্থা করা উচিত।”

রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্য বলে, “খাদি ও তাঁত শিল্পীদের অবস্থা করোনাতে খুব খারাপ হয়ে গেছে। সেই ভাবে বাজার পাচ্ছেন না, পরিবহন বন্ধ, অথচ এই খাদি ও তাঁতের বস্ত্র খুবই সুন্দর। রাজ্য সরকার অনেক দাবি করে কিন্তু সেই দাবি গুলো কি আদৌ সঠিক। আমি সরকারের কাছে আবেদন করবো যাতে এই সমস্ত তাঁতীদের উপকার হবে তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”
এদিন দিলীপবাবুর সাথেই খাদি বস্ত্রের দোকানে যান বিজেপির রাজ্য সম্পাদিকা ফাল্গুনী পাত্র, ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য সহ জেলার অন্যান্য নেতৃত্ব।
ব্যারাকপুরে গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে এসে মুখ্য মন্ত্রীর ম্যান মেড বন্যা সম্পর্কিত বক্তব্যের তীব্র কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “বন্যা নিয়ন্ত্রণে বাঁধ তৈরি জন্য কেন্দ্র সরকার ৩ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে রাজ্যকে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত ১০ বছরে কি করেছেন যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, টাকাগুলো লক্ষ্মীর ভান্ডারে ঢুকছে।” চিড়িয়া মোড়ে গান্ধী মূর্তিতে মাল্যদান করে দিলীপবাবু সাংবাদিকদের তেলের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বলেন, “তেল বাইরে থেকে আসে তাই দাম বাড়ছে কিন্তু এর থেকে বাঁচার উপায় ট্রেন চালু করা, যা করলে সাধারন মানুষের খরচ কমে কিন্তু মুখ্য মন্ত্রী রেল চালু করতে দিচ্ছেন না।”

