সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েও কৃষ্ণনগরের রুইপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করতে পারল না শাসক দল

স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ১০ আগস্ট: অভিনব পন্থায় গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করলো গেরুয়া শিবির। নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর ১নং ব্লকের রুইপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করলো বিজেপি। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েও বোর্ড গঠন করতে পারলো না শাসক দল। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিএম ও তৃণমূলের চার জয়ী প্রার্থীর সমর্থনে পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করলো বিজেপি।

মতাদর্শগত ভাবে বহু পার্থক থাকলেও এই পঞ্চায়েতে দেখা গেলো অন্য এক কাহিনী। পঞ্চায়েতে উড়ছে কাস্তে হাতুরি পতাকার সাথে পদ্মফুলের পতাকা। আনন্দে উল্লাসে মেতেছে দুই বিপরিত মুখী শিবির। তাদের দাবি, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সমর্থন করা হয়েছে বিজেপিকে। এই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করতে বিজেপিকে সমর্থন জানিয়েছে সিপিএম, আর বিজেপিকে সমর্থন জানিয়েছে তৃণমূলের দুই জয়ী প্রার্থী।

রুইপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতর ২২টি আসনের মধ্যে ১৩টি আসনে জেতে শাসক দল তৃণমূল। বিজেপি জেতে ৭টি আসন। সিপিএম জেতে ২টি আসন। তৃণমূলের এক জয়ী প্রার্থীর মৃত্যু হওয়াতে তাদের আসন সংখ্যা দাঁড়াই ১২টি। তবুও সংখ্যা গড়িষ্ঠা ছিল শাসকদল। কিন্তু বোর্ড গঠনের সময় উল্টে চিত্র দেখা গেলো। ২ সিপিএম প্রার্থী ও তৃণমূলের ২ জয়ী প্রার্থী বিজেপিকে সমর্থন করায় বোর্ড গঠন করলো পদ্ম শিবির।

এদিকে পঞ্চায়েতর প্রধান হিসাবে মনোনীত হয়েছে বিজেপিকে সমর্থনকারী জয়ী তৃণমূল প্রার্থী। জয়ী তৃণমূল সদস্য ইনার আলি শেখের অভিযোগ, বিজেপির কাছে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি হয়ে এই কাজ করেছে আমাদের দলের হয়ে জয়ী ঐ দুই প্রার্থী।

এদিকে তৃণমূলের হয়ে জয়ী বিজেপিকে সমর্থনকারী প্রধান মনোনীত অনুপ বিশ্বাস বলেন, “এটা মিথ্যা অভিযোগ, এলাকার মানুষ আমার সাথে আছে, জয়ী সদস্যরা আমার সাথে আছে। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত আমি নিয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *