আমাদের ভারত, কলকাতা, ৩ জানুয়ারি: কোভিড পরবর্তী সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি আমাদের দেশেও নাক, কান, গলার সমস্যা বেড়ে গেছে। এর মূলে আছে দূষিত পরিবেশ। বাতাস ও শব্দ দূষণের ফলে ছোট থেকে বড় সকলেরই অ্যালার্জিজনিত হাঁচি, কাশির ঝুঁকি বাড়ছে।
পঞ্চাশতম সম্মেলনে এই বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চিকিৎসকরা মত বিনিময় করবেন। ৬ – ৮ জানুয়ারি ২০২৩ এ কলকাতার স্বভূমিতে শুরু হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী নাক, কান, গলার চিকিৎসকদের ৫০তম সম্মেলন এওআইডব্লুবিসিওএন ২৩ । দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রায় ৭০০ জন নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ এই সম্মেলনে তাঁদের মত বিনিময় করবেন। এর আয়োজন করেছেন অ্যাসোশিয়েশন অফ অটোল্যারিঙ্গোলজি অফ ইন্ডিয়ার পশ্চিমবঙ্গ শাখা।
৫০ তম সম্মেলনের অরগানাইজিং সেক্রেটারি সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ দ্বৈপায়ন মুখার্জি মঙ্গলবার জানান যে শহরাঞ্চলের বাতাসে মিশে থাকা নানা ভাসমান কণার উপস্থিতিতে বাড়ছে এআর অর্থাৎ অ্যালার্জি রাইনাইটিসের ঝুঁকি।
বাতাসে ভেসে থাকা কণার সংস্পর্শে নাক ও শ্বাসনালীতে টাইপ -১ অতিসংবেদনশীলতার ফলে নাগাড়ে হাঁচি, সর্দি, কাশি ও পরবর্তীকালে ব্রঙ্কিয়াল হাইপাররেসপন্সিভনেস থেকে হাঁপানি ও সিওপিডির মত জটিল সমস্যার ঝুঁকি থাকে। শুরুতেই সতর্ক হলে জটিলতা এড়ানো যায়।
এর আগের দিন ৫ জানুয়ারি হেলথ ইউনিভার্সিটি ও আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষানবীশ ইএনটি চিকিৎসকদের জন্য হাতে কলমে শেখার শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। হাতে কলমে কান ও নাকের সার্জারি অস্ত্রোপচার শেখাবেন সিনিয়র ইএনটি শল্যবিদরা। ইমিউনোথেরাপির সাহায্যে অ্যালার্জির সমস্যা সম্পূর্ন ভাবে সারিয়ে তোলা যায়। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইএনটির চিকিৎসক উৎপল জানা, ডা স্নেহাশিস বর্মন, ডা সৌমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা দুলাল বসু, ডা এ এম সাহা প্রমুখ।

