সাথী দাস, পুরুলিয়া, ৬ জুন: সভা শুরুর আগেই স্থল ফাঁকা। পুরুলিয়া শহরে শাসক তৃণমূলের এই সভার পরিস্থিতি গো ষ্ঠীদ্বন্দ্বকে পরিষ্কার করে দিল। দলের সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরুলিয়া থেকে যাওয়ার এক সপ্তাহ পার হয়নি, তার আগেই এমন দশা চর্চা বাড়িয়ে তুলল সাধারণ কর্মী সমর্থকদের।

সভার আহ্বায়ক তৃণমূল পুরুলিয়া শহর কংগ্রেস সভাপতি জ্যোতির্ময় ব্যানার্জি অস্বস্তিতে পড়ে যান। যদিও সেই সময় পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান তৃণমূল নেতা নবেন্দু মাহালিও ছোট বক্তব্য রেখে সভা ছাড়েন। খানিকটা গা ছাড়া ভাব দেখা গেল সভায় দু’ একজন দ্বিতীয় সারির নেতার। অথচ, তার কিছুক্ষণ আগেই জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া, জেলা যুব সভাপতি সহ জেলা স্তরের নেতারা ছিলেন। তাঁদের নেতৃত্বে প্রতিবাদ মিছিল হয় স্থানীয় টাক্সি স্ট্যান্ডে। সেখানেই পরে আয়োজিত সভা কার্যত ফ্লপ শো’য়ে পরিণত হয়।
মিছিলের জন্য জমায়েত হন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। সেখান থেকে মিছিল করে পুরুলিয়া শহরের বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে প্রতিবাদ মিছিল। শেষ হয় সূচনা স্থলেই। সেখানেই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

‘একশ দিনের কাজে রাজ্যের পাওনা টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র’, এই অভিযোগে পুরুলিয়া জেলাজুড়ে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কেন্দ্রের ‘বঞ্চনা’র প্রতিবাদে জেলার বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্র, ব্লক ও পঞ্চায়েত এলাকায় পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। সকাল থেকে চলে তৃণমূলের এই কর্মসূচি।

