আমাদের ভারত, ১৪ এপ্রিল: তার চিঠি পেয়েই জাতীয় এসটি কমিশন রাজ্য পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল। তারপর দণ্ডি কাটা কান্ডে দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু ওই ঘটনায় সুকান্ত মজুমদার ফের জাতীয় এসটি কমিশনকে চিঠি দিলেন। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় আসল অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা চলছে।
বালুরঘাটের দন্ডিকাটা কাণ্ডে বৃহস্পতিবার দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কিন্তু তারা এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত নয় বলে দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে আড়াল করতে চাইছে পুলিশ। আর সেই কারণে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, তৃণমূলের তৎকালীন সভা নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করতে হবে এই দাবিতে তিনি জাতীয় এসটি কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন।
নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে বিষয়টি জানিয়েছেন সুকান্ত।

এর আগে জাতীয় এসটি কমিশনকে একটি চিঠি লিখে দিয়েছিলেন সুকান্ত। তখনো এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। কমিশনকে বিষয়টি বিশেষ নজর দিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। এরপর বুধবার রাতে বিশ্বনাথ দাস ও আনন্দ রায় নামে দুই যুবককে বালুরঘাট শহরে জলযোগ মোড় থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরা দুজনই প্রদীপ্তার ঘনিষ্ঠ বলেও জানাগেছে। সুকান্তর আগের চিঠি পাওয়ার পরে জাতীয় এসটি কমিশন রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল। তিন দিনের মধ্যে বিজিপি মনোজ মাল্যব্যকে রিপোর্ট জমা দিতে বলেছিল। তারপর বৃহস্পতিবার দু’জন গ্রেপ্তার হয়। এবার এই গ্রেপ্তারের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে বলে নতুন করে দাবি জানিয়ে চিঠি দিলেন সুকান্ত।

