জে মাহাতো, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১০ জুলাই:
তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের উত্তপ্ত কেশিয়াড়ী। দলের পঞ্চায়েত প্রধানকে মারধরের অভিযোগ উঠল দলের অপর গোষ্টীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী ব্লকের ৫ নং বাঘাস্থি অঞ্চলে।
জানা যায়, বাঘাস্থি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে এলাকার পঞ্চায়েত কর্মীদের নিয়ে একটি সাধারন সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় উপস্থিত ছিলেন এলাকার প্রধান, গ্রাম পঞ্চায়েতের আধিকারিক ও ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। এলাকার প্রধান রুমি বেরা গিরির অভিযোগ, তিনি খেতমজুর ইউনিয়নের নেতা ফটিক রঞ্জন পাহাড়ির পক্ষের লোক হওয়ায় এদিন সভা শেষ হওয়ার পর তৃণমূলেরই পাখি রাও, সুদীপ ঘোষ, শিব শংকর জানা, সীতা প্রামানিক, ঝরনা জানা সহ কয়েকজন পঞ্চায়েত সদস্য ও বেশকিছু দুষ্কৃতী আচমকাই তাকে মারধর করতে শুরু করে। তার হাত, কোমর, পিঠে কিল ঘুষি মারা হয়। তিনি বলেন, “তারা আমাকে প্রধান হিসেবে মানতে রাজি নন।”
ঘটনার পর প্রধানকে আহত অবস্থায় কেশিয়াড়ী গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি পুলিশি নিষ্ক্রয়তার অভিযোগও তুলেছেন। প্রসঙ্গত গত ৪ ঠা জুন কিষাণ ক্ষেতমজুর তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব ফটিকরঞ্জন পাহাড়ী ও জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ মামণি মান্ডীর হাত ধরে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন প্রধান রুমি বেরা গিরি। এবার তাকেই মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে অপর গোষ্ঠীর নেতা তথা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অশোক রাউত প্রধানের এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মারধরের ঘটনা সম্পূর্ণ সাজানো। প্রধান তিনবছর ধরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে কুৎসা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ব্লক সভাপতি। কেশিয়াড়ীতে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো গোষ্ঠী নেই বলেও তিনি দাবি করেছেন।

