আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগনা, ৪ এপ্রিল: ভোটের মুখে এ এক উল্টো চিত্র, আক্রান্ত হলেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। এক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে সদ্য গঠিত পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফের দিকে, যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তারা। ঘটনাটি ঘটে অশোকনগর থানার বাকপুল এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা আত্তাবুদ্দিন শনিবার সন্ধ্যায় বাকপুল এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসে কর্মীসমর্থকদের নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা করছিলেন। সেই সময় আইএসএফ এর বেশ কয়েক জন দুষ্কৃতী এসে আত্তাবুদ্দিন ও কর্মীদের উপর হামলা করে। অভিযো, আত্তাবুদ্দিনের গলায় ফাঁস দিয়ে মেরে ফেলার চক্রান্ত করে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন আহত হয়। স্থানীয় লোকজনের তৎপরতায় আক্রান্তদের উদ্ধার করে বারাসাত জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অশোকনগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এই ঘটনায় রাতেই তণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অশোকনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
অশোকনগর বিধানসভার সংযুক্ত মোর্চার আইএসএফ এর প্রার্থী তণমূলের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আইএসএফ এই ঘটনার সাথে যুক্ত নেই। এটা পুরটাই তণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তিনি বলেন, প্রথমে তণমূলের প্রার্থী বাদলাল পরে আবার গোঁজপ্রার্থী দেওয়া হয়েছে, সব মিলিয়ে অশোকনগর বিধানসভা কেন্দ্রে এই মুহূর্তে যেভাবে তণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে এই মারামারির ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ।

এই ঘটনা নিয়ে অশোকনগর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সমীর দত্ত জানিয়েছেন এই ঘটনার সাথে বিজেপি ও আইএসএফ যুক্ত। তিনি বলেন তণমূল কংগ্রেস রাস্তায় নামলে অন্য কোনও দলের পতাকা খুঁজে পাওয়া যাবে না, তবে আমরা মারামারির রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।পাশাপাশি তিনি বলেন, যারা এই মারধরের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক।

