আমাদের ভারত, ৩১ আগস্ট: কর্ণাটকের হুবলিতে গণেশ চতুর্থী উৎসবের স্থান নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে সামাজিক মাধ্যমে কড়া মন্তব্য করেছেন তথাগত রায়।
তথাগতবাবু লিখেছেন, “বিশ্বের যে কোনো দেশের কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কি ৮৫% সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকারকে চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাবে? যেমনটা ঘটছে কর্ণাটকের হুবলিতে, গণেশ চতুর্থী উৎসবের আয়োজনে! একমাত্র নিরাময় হল হিন্দুরাষ্ট্র।“
প্রতিবাদে আব্দুল মাহমুদ লিখেছেন, “ঈদগাহ ময়দানই হলো গণেশ পুজোর উপযুক্ত জায়গা! সব ঈদগাহ ময়দান গণেশ পুজোর জন্য দিয়ে দেওয়া উচিৎ! দরকার পড়লে মসজিদের মধ্যেও মন্ডপ বানিয়ে পুজো করা উচিৎ! সংখ্যলঘুদের বড্ড বাড় বেড়েছে! আপনি এগিয়ে চলুন, আমরা আছি আপনার সাথে।“ এর উত্তরে সুমন কল্যাণ পাল লিখেছেন, “বাংলাদেশে কি ঘটছে সেটা দেখে মন্তব্য কর।”
শুভ রায়চৌধুরী লিখেছেন, “ বাংলাদেশে বিভিন্ন জায়গায় মন্দিরেই পুজা করতে দেওয়া হয় না। পুজার আগে প্রতিমা ভেঙ্গে ধর্ম পালন করা হচ্ছে। এসব দেখেও কি শিক্ষা নেবে না, বলেন মহাশয়?“
সঞ্জিত মিশ্র লিখেছেন, “ওটা মোটেও ঈদগাহ ময়দান নয়। ওটা হুবলি মিউনিসিপালিটির জায়গা। ঈদ ও বকরি ইদের নামাজ পড়ার জন্যই শুধু মিউনিসিপালিটির থেকে অনুমতি আছে কিন্তু ওরা এটাকেই এখন নিজেদের ঈদগাহ ময়দান বলে দাবি করে। গণেশ চতুর্থীর পূজা করার জন্য পূজা কমিটি ন্যায়সংগত ভাবে মিউনিসিপালিটির থেকে অনুমোদন নিয়েছে। এর বিরুদ্ধে মুসলিমরা আদালতে আবেদন করে বলে যে ঐ ময়দান ওয়াকফ সম্পত্তি এবং ওখানে কোনো রকম পূজা করার অনুমতি যেন না দেওয়া হয়। জেলা আদালতে মুসলিমরা ঐ ময়দান যে ওয়াকফ বোর্ডের অধীন তার পক্ষে কোনো দলিল বা কোনো প্রমান দেখাতে পারেনি বরং হুবলি মিউনিসিপালিটি জমিটি যে মিউনিসিপালিটির তার স্বপক্ষে সমস্ত নথী জমা দেয়। আদালত সমস্ত কিছু দেখে বলে, যে নমাজের জন্য যদি মাঠ মুসলিমদের দেওয়া অন্যায় না হয়, তবে সাময়িকভাবে কোনো পুজোর জন্য ময়দান ব্যবহারের অনুমতি দেওয়াই যেতে পারে। এই ক্ষেত্রে গণেশ চতুর্থীর জন্য পূজা কমিটিকে অনুমতি দিয়ে মিউনিসিপালিটি কোনো আন্যায় করেনি। এখানেই দুঃসাহসের প্রশ্ন ওঠে যে জমি ওদের কি, ওরা বছরে দু’বার সরকারি ময়দানে নমাজ পড়তে পারে আর ৮৫% সতাংশ হিন্দু বৈধ অনুমতি নিয়েও সরকারি জায়গায় সাময়িক ভাবে পুজো করতে পারবে না। নিম্ন আদালত বললে, তার বিরুদ্ধে হাই কোর্ট, হাই কোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট যেখানে কোনো এক অদৃশ্য কারনে ওরা স্থিতাবস্থা বহাল রাখার আদেশ জারি হয়েছে। এটা এই দেশের দুর্ভাগ্য নয়? গণতন্ত্রের নামে ভিরতন্ত্র চলছে না কি? কথায় কথায় ভির দেখিয়ে হিন্দুদের বিরুদ্ধে যে কোনো দাবি আদায় করার যে কৌশল একটি সম্প্রদায় নিয়েছে একবার ভেবে দেখুন এর ফল ভাবিষ্যতে কি হতে পারে?“
আলাউদ্দিন মল্লিক লিখেছেন, “ওদের এখন মসজিদের সামনে জমায়েত করে জয় শ্রীরাম শ্লোগান দেওয়া, মসজিদের সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে বসে হনুমান চল্লিশা পড়া বা মসজিদের মাথাতে গেরুয়া ঝাণ্ডা লাগি দেওয়া বা ঈদ গায়েতে গণেশ পূজা করা বা বিভিন্ন মসজিদে শিব মন্দির আছে দাবি করা ওদের এখন ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলামিক স্থাপত্য দেখলে ওদের ধর্মীয় অনুভূতি জেগে ওঠে।”
প্রভাত তপন ব্যানার্জি লিখেছেন, “সবাই আওয়াজ তুলুন, ‘হিন্দুরাষ্ট্র চাই’।

