রাজেন রায়, কলকাতা, ৯ আগস্ট: দিন দিন বাড়ছে স্কুলছুটের সংখ্যা। শিক্ষকদের অভাবে অনেক স্কুল বন্ধের মুখে। গোটা রাজ্যের সরকারি স্কুল গুলির কী অবস্থা? স্কুলগুলিতে ছাত্র সংখ্যা পিছু কতজন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছে? রাজ্যকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ভিভিশন বেঞ্চের।
বাঁকুড়া, আসানাসোল এলাকাতে ৩টে স্কুল আছে। যার মধ্যে একটি স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা অনেক বেশি। বাকি দুটি স্কুলে নেই পর্যাপ্ত শিক্ষক। সেই কারণে বাড়ছে স্কুল ছুটের সংখ্যা।নিয়ম বলছে, কাছের স্কুলেই ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করবে। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। যা নিয়েই জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মামলা করেন শুভ্র প্রকাশ লাহিড়ি। তাঁর দাবি, বাঁকুড়ার ওন্দা অঞ্চলে আসানসোল এলাকায় আসানসোল জুনিয়র হাইস্কুল, নিউ সেট আপ স্কুল এবং আসানসোল উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। তাঁর দাবি, আসানসোল উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের থেকে শিক্ষকের সংখ্যা বেশি। কিছু কারণে শিক্ষক সংখ্যা বেশি হওয়া সত্বেও তাদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হচ্ছে না। আবার অন্যদিকে দুটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংখ্যা কম থাকায় সেখানকার শিক্ষার পরিকাঠামো সঠিকভাবে চলছে না। ছাত্র ছাত্রীরা স্কুলমুখী হতে চায় না।
রাজ্যকে এই বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যদিও জানা গিয়েছে, রাজ্যের তরফে বেশি সময় চাওয়া হয়েছে। আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজ্যকে রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে হাইকোর্ট। এসব সামগ্রিক রিপোর্ট হলফনামা আকারে জমা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের ডিভিশন বেঞ্চ।

