জয় লাহা, দুর্গাপুর, ২১ মে: কাঁকসা ব্লক জুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রামকের সংখ্যা। পাড়ায় পাড়ায় শুরু হয়েছে কোভিড -১৯ নমুনা সংগ্রহের শিবির। এবার পরিস্থিতি সামাল দিতে নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি লকডাউনে কড়া নজরদারির উদ্যোগ নিল কাঁকসা ব্লক ও পুলিশ প্রশাসন। চারটি পঞ্চায়েত এলাকাকে রেডজোন ঘোষণা করা হল।
গত কয়েকদিন ধরে কাঁকসা ব্লকের কাঁকসা, ত্রিলোকচন্দ্রপুর, আমলাজোড়া সহ বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েত এলাকায় করোনা সংক্রামনের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। বেশীরভাগই উপসর্গহীন। এমনকি বেশ কয়েকজন রোগীর মৃত্যুও হয়েছে। ফলে এলাকাজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরী হয়েছে। করোনা পরীক্ষা করতে ব্লক হাসপাতালে উপচে পড়া ভিড় শুরু হয়েছিল। একই সঙ্গে সংক্রামণের সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশী উপসর্গ এলাকায় নমুনা সংগ্রহের শিবির করার উদ্যোগ নেয় কাঁকসা ব্লক স্বাস্থ্য দফতর। গত মঙ্গলবার থেকে কাঁকসা ব্লকের
বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় কোভিড নমুনা শিবির শুরু করেছে। ওইদিন ব্লকের আমলাজোড়া শিবিরে ১৯২ জনের নমুনা সংগ্রহ হয়েছিল। তার মধ্যে ৩৫ জনের পজিটিভ আসে। সিং পাড়ায় ৩৯ জনের মধ্যে ১০ জনের পজিটিভ আসে। শুক্রবার সিলামপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পানাগড় গ্রাম ছাত্রসমিতি ক্লাবে, শিবপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নমুনা সংগ্রহের শিবির হয়। এদিন কাঁকসা ব্লক হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার রথীন মুখার্জি বলেন, ” সিলামপুরে ৮০ জনের নমুন সংগ্রহ করা হয়। তার মধ্যে ১৪ জনের পজিটিভ এসেছে। পানাগড় গ্রামে ১০৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তার মধ্যে ১৫ জনের পজেটিভ এসেছে। শিবপুর প্রাইমারি হাসপাতালে ৬৩ জনের মধ্যে ১ জনের পজেটিভ। এছাড়াও ব্লক হাসপাতালে ৭৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়, তাতে ১৩ জনের পজেটিভ এসেছে।”
তিনি আরও জানান,” ইতিমধ্যে ব্লকের ত্রিলোকচন্দ্রপুর, আমলাজোড়া, কাঁকসা ও গোপালপুর পঞ্চায়েত রেডজোন করা হয়েছে।

সংক্রামিত রোগীর পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইসোলেশন করে চিকাৎসা শুরু হয়েছে। ওইসব এলাকায় লকডাউন পালনে আরও কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে।”

