আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৭ এপ্রিল: ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩০। এর মধ্যে শিশুদের আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে চিকিৎসকদের। গ্রামেও আক্রান্তের সংখ্যা একাধিক, প্রতিনিয়ত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এমনই ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ২ নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের রামবেড়িয়া গ্রামের।
চন্দ্রকোনা গ্রামীন হাসপাতাল সূত্রে খবর, কয়েকদিন ধরেই রামবেড়িয়া গ্রামে বাচ্চা থেকে বয়স্ক ব্যক্তি বমি,পায়খানা ও পেটের যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তি হচ্ছে চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতালে। ইতিমধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩০ জন। চন্দ্রকোনা হাসপাতালের বিএমওএইচ স্বপ্ননীল মিস্ত্রি বলেন, পানীয়জল থেকে এই ঘটনা।ইতিমধ্যে জলের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে পরীক্ষার জন্য। গ্রামে নজরদারী চালাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা।

জানাযায়, এই গ্রামে দীর্ঘদিন আগেই তৈরি করা হয়েছিল গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে পানীয় জলের একটি কংক্রিটের ট্যাঙ্ক।সেখান থেকেই জল নিয়ে খেত গ্রামের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে ট্যাঙ্ক পরিষ্কার না হওয়ার ফলে পানীয় জল থেকে মাঝেমধ্যে কেঁচো বের হত, তাই জল থেকে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে সকলের ধারণা।

ছবি: পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হীরালাল ঘোষ।
চন্দ্রকোনা হাসপাতালের বিএমওএইচ পানীয়জল থেকে এই ঘটনা বললেও তা মানতে নারাজ চন্দ্রকোনা দু’নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হীরালাল ঘোষ। তাঁর দাবি, “জল থেকে এই ধরনের সংক্রমণ ছড়ায়নি, নিশ্চয়ই অন্য কোনো কারণ আছে। স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা ও গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা সবসময় নজর রেখেছে এলাকার দিকে। কয়েকদিনের প্রচন্ড দাবদাহ এবং খাবার খেয়ে পেটের সমস্যা হতে পারে কিন্তু গ্রাম পঞ্চায়েতের পানীয় জল খেয়ে হয়েছে বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয় বলে তিনি জানান।
কয়েকদিন ধরে ডায়েরিয়ার প্রকোপে গোটা ঘটনায় গ্রাম জুড়ে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।

