সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ২২ জুন: কোর্টে পরপর ধাক্কা খেয়ে ২২ কোম্পানি বদলাল ৮০০ কোম্পানিতে। আর এদিন একদফা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী ইস্যুতে মুখ খোলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিষয়টা হচ্ছে মহামান্য প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ, তাঁরা বলেছিলেন, ২০১৩ সালকে মান্যতা দিয়ে তার থেকেও বেশি অ্যারেজমেন্ট করতে হবে। তার কারণ হচ্ছে ২০১৩ সালে, বুথের যে সংখ্যা ছিল, এখন তার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬১ হাজার। তখন বুথের সংখ্যা এত ছিল না। বুথের সংখ্যা অন্তত কয়েক হাজার বেড়েছে। বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর গোপালনগরে বিধায়ক স্বপন মজুমদারের বাড়ি এক দলীয় বৈঠক করতে এসে তিনি বলেন, ভোটার সংখ্যা, ২০১৩ থেকে ২০২৩ এ, অন্তত এক-দেড় কোটি ভোটার বেড়েছে এই ১০ বছরে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “তৃতীয়ত ল্য অ্যান্ড অর্ডারের সিচ্যুয়েশন, ২০১৩ সালে যা ছিল, এখন তা খারাপ পরিস্থিতি। ২০১৩ থেকেও ভাল অ্যারেঞ্জমেন্ট করার নির্দেশ ছিল।” এছাড়াও আরও একাধিক বিষয় রয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারী এ বিষয়ে আলোকপাত করে বলেন,
“২০১৩ সালের পরে তিন দফা ছিল, পরে প্যারা মিলিটারি দিতে না পারার জন্য, ওটাকে পাঁচ দফায় করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।’ শুভেন্দুর সংযোজন, ‘এবারে একদফাতে..কোম্পানির সংখ্যাটা ফ্যাক্টর নয়, প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ চাইছে, যেটা সুপ্রিম কোর্টও সিলমোহর দিয়েছে, ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ভোট।’
প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কমিশন। ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি কমিশনের। হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট। গত কয়েকদিন ধরে, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিরামহীন আইনি লড়াইয়ের সাক্ষী হয়েছে বাংলা। তবে, কোথাও কোনও সুরাহা পায়নি রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। এরপর গতকালই বাহিনী নিয়ে কমিশনকে কার্যত গাইডলাইন বেঁধে দেয় হাইকোর্ট। বাতিল করে দেয় নামমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কমিশনের ভোট করানোর সিদ্ধান্ত।

