রাজেন রায়, কলকাতা, ২৬ এপ্রিল: সোমবার সপ্তম দফায় ভোট কলকাতা বন্দর বিধানসভা কেন্দ্রেও। এখানকারই ফতেপুর হরিদেবপুর স্কুলের ৬১ নম্বর বুথে ভোট দিতে গিয়েছিলেন অশীতিপর বিশ্বনাথ চক্রবর্তী। নিজের ভোটটা দেওয়ার আগে প্রিসাইডিং অফিসারকে নিজের ভোটার কার্ডটি দেখান তিনি। কার্ড দেখেই উনি বলেন, “আপনি তো মৃত!”
শুনে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় বিশ্বনাথবাবুর। প্রথমে কিছুটা থতমত খেয়ে গেলেও সামলে নিয়ে বিশ্বনাথবাবু পাল্টা বলেন, “মৃত মানে? আমি কি ভূত নাকি? তারপরও বলল, হবে না। গো টু হোম।”
৮৪ টা বসন্ত পার করে ফেলেছেন বিশ্বনাথ চক্রবর্তী। গিয়েছিলেন ভোট দিতে। বেরিয়ে এসে ফেটে পড়লেন ক্ষোভে, “বলে কি না ইউ আর ডেড। আমি বললাম ডেড তো আমি ভূত নাকি? ৫০ বছর ধরে ভোট দিচ্ছি।” এতবার করে ভোটার তালিকার সংশোধনী হয়। ভোটের মুখে বাড়ি বাড়ি গিয়েও ভোটার তালিকা তৈরির কাজ হয়। অথচ এরপরও এ ধরনের ত্রুটি থেকে যায় কী ভাবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

