জয় লাহা, দুর্গাপুর, ৬ মে: দেশজুড়ে করোনার মহামারী মারণ থাবা। আকাল পড়েছে অক্সিজেনের। ঘাটতি মেটাতে তৎপর কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় সরকার। শুরু হয়েছে যুদ্ধকালীন তৎপরতা অক্সিজেন তৈরি ও জোগানের ব্যবস্থা। এবার সরাসরি হাসপাতালের শয্যায় নলবাহিত অক্সিজেন পৌঁছানোর উদ্যোগ নিল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ও ডিআরডিও। দক্ষিনবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলার হাসপাতালে অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করে পরিষেবা শুরু হবে। বৃহঃস্পতিবার দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে জমি পরিদর্শন করল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, দেশজুড়ে করোনা মহামারীর দ্বীতিয় ঢেউ শুরু হয়েছে। আর দ্বীতিয় ঢেউ এ আকাল পড়েছে অক্সিজেনের। অক্সিজেনে সঙ্কটজনক পরিস্থিতি কাটাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু করেছে সরকার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজে লাগানে হয়েছে সেনাবাহিনী। ভয়াবহ পরিস্থিতি রাজধানী দিল্লিতে। ইতিমধ্যে ঘাটতি মেটাতে গ্রিনবকরিডোর করে শিল্পশহর সেইল থেকে একদিন অন্তর অক্সিজেন এক্সপ্রেস যাচ্ছে দিল্লিতে। এবার রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর উদ্যোগ নিল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ও ডিআরডিও। জানা গেছে, ১ হাজার লিটারের উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরী হবে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে। এছাড়াও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হুগলী, বীরভুম দুই বর্ধমান সহ মোট ২২ টি হাসপাতালে ২২ টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করবে। জাতীয় সড়ক দুর্গাপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রজেক্ট ডিরেক্টর স্বপন কুমার মল্লিক জানান, “দুর্গাপুর জোনে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হুগলী, বীরভুম ও দুই বর্ধমান সহ মোট ২২ টি হাসপাতালে ২২ টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করা হবে। আমরা সিভিল ও ইলেক্ট্রিক্যাল কাজ করব। বাকী কাজ ডিআরডিও করবে। ওই সমস্ত জেলার হাসপাতালে জমি পরিদর্শন করার কাজ চলছে। ৭-১৪ দিনের মধ্যে অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরী করা হবে।”
দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীমান মন্ডল জানান, “১ হাজার লিটার তরল অক্সিজেন তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন প্ল্যান্ট হবে। সরাসরি নলবাহিত হয়ে হাসপাতালের শয্যায় পৌঁছবে।”

