আমাদের ভারত, ২ জুন:
অতিমারীর জেরে ভারতীয় অর্থনীতি অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান দফতরের তথ্য অনুযায়ী অর্থনীতি ৭.৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে।
সে ক্ষেত্রে অর্থনীতিবিদদের বক্তব্য, বিগত বহু বছর ধরে অর্থনীতির সংকোচন এতটা আগে হয়নি।
যদিও পরিসংখ্যান দপ্তর আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতি ৮% সংকুচিত হতে পারে। আর রিজার্ভ ব্যাংক আগাম আভাস দিয়েছিল অর্থনীতি ৭.৫ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে।
সে ক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। সার্ভিস সেক্টরে ধস এসেছে। সার্ভিস সেক্টরের পুনরুদ্ধারে কী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত? এম এস এম ই লকডাউন এর জেরে যে প্রভাব পড়েছে সে ক্ষেত্রে এমএসএমই সেক্টরকে বাঁচাতে কি পদক্ষেপ করা উচিত? সে ক্ষেত্রে কি ঋণ প্রকল্পের পরিধি বাড়িয়ে সুযোগ দেওয়া উচিত? সমাজের নিচের দিকে আয় বর্গের বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে? বেকারত্ব বৃদ্ধি হচ্ছে– যেখানে ভারতবর্ষে ৫০ কোটি শ্রমিক আছে, সেখানে ১৭ শতাংশ বেকারত্ব হচ্ছে, সেটা কিভাবে রোধ করা যায়?
ভারতীয় অর্থনীতি কি ক্রমেই আমেরিকার অর্থনীতির মতন হয়ে উঠছে? যদি সম্পূর্ণভাবে লকডাউন উঠে যায় সে ক্ষেত্রে কি ভারতীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হতে পারে?
কোর ইন্ডাস্ট্রি অর্থাৎ পেট্রোল গ্যাস স্টিল এই সমস্ত ইন্ডাস্ট্রির উন্নতি কিন্তু ৫০ শতাংশ। সে ক্ষেত্রে অর্থনীতি সংকুচিত হচ্ছে কিভাবে?
বিভিন্ন অর্থনীতিবিদরা আশা করেছিলেন ২০২০-২১ অর্থবর্ষে শেষদিকে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে সেটা কি আদৌ সম্ভাবনা আছে?
এই যে পরিসংখ্যান সামনে এসেছে এতে একটা বিষয় পরিষ্কার যে নতুন চাকরির সুযোগ খুলছে না, সে ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ তৈরি করতে গেলে কি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত? লকডাউন যদি তুলে নেওয়া হয় সে ক্ষেত্রে অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ার সম্ভাবনা কতটা? এমনই বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের মনে। যদিও তা কতটা উত্তর পাওয়া সম্ভব হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

