ঝালদায় তপন কান্দুর খুনের প্রত্যক্ষদর্শীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

সাথী দাস, পুরুলিয়া, ৬ এপ্রিল: তপন কান্দুর খুনের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী সান্ধ্যকালীন ভ্রমণ সঙ্গী নিরঞ্জন বৈষ্ণব ওরফে সেফালের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। আত্মঘাতী বলেই প্রাথমিকভাবে অনুমান পুলিশের। আজ সকালে ঝালদার বৈষ্ণব পাড়ার বাড়িতে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মিলল সুইসাইড নোট। খুনের ঘটনার পর থেকে মানসিক অবসাদের কথা লেখা রয়েছে ওই নোটে। ঘটনায় রহস্য দেখা দিয়েছে।

মৃতের ভাইপো দীপক বৈষ্ণব জানান, “ঘুম থেকে ভোরে উঠে বাইরে থেকে ফের বাড়িতে এসে দরজা বন্ধ করে দেন তিনি। তাঁর কাছে টিউশন পড়তে আসা ছাত্ররা দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করে। আমরাও গিয়ে ফাঁক দিয়ে দেখি কাকার দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। ঝালদা থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে।”

বার বার যখন তখন পুলিশের ডাকে থানায় যেতে হচ্ছিল তাঁকে। তখন থেকেই অস্থিরতা আর মানসিক চাপে ভুগছিলেন তিনি। মানসিক চাপ সহ্য করতে না পারায় আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি। উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে সেই কথায় লেখা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *