আমাদের ভারত, ৩০ মার্চ: “শিল্প এবং কর্ম সংস্থান এটাই আমাদের বর্তমান রাজ্য সরকারের প্রধান লক্ষ্য। আর মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই লক্ষ্যে পৌঁছতে উদ্যোগী হয়েছেন। তাই বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের কাজ অনেকটাই এগিয়ে গেছে। অনেক শিল্পপতিরা এখানে আসতে ইচ্ছুক। “ব্যারাকপুর স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয় বিবেক জ্যোতি অনন্য সন্মান গ্রহণ করতে এসে আগামী দিনে রাজ্যের কর্ম সংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্য প্রসঙ্গে এই কথাই বললেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বুধবার একটি অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বাংলার সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য
‘বিবেক জ্যোতি অনন্য সম্মান’ প্রদান করা হয় ব্যারাকপুর স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে।
এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ছাত্র ছাত্রীদের উদ্যেশ্যে বলেন, ভালো করে পড়াশোনা করতে হবে, শুধু পরিবার দেখলে হবে না তাদেরকে সমাজকেও দেখতে হবে। তবে সরকারের নতুন কর্মসূচি হচ্ছে যত সম্ভব শিল্প এবং কর্ম ক্ষেত্র গুলি যাতে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যই গড়ে তোলা যায় সেটা সম্ভব করা, যাতে পশ্চিমবঙ্গের ছেলে মেয়েরা পশ্চিমবঙ্গেই থাকে তাদের বাইরে পড়তে বা চাকরিতে না যেতে হয়। এদিন তিনি আরো বলেন, “বেনামী স্কুল সকলকে মেধার আওতায় এনে শিক্ষিত করে। সর্ব প্রথম ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নানা ধরনের স্কলারশিপ দিয়েছেন তিনি। মেধার ভিত্তিতে ২০২১ এ জিতে আসার পর স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা করে দিয়েছেন। কেউ এসে অর্থের অভাবে পড়তে পাচ্ছি না বলে না। এখানে ৫০ শতাংশ ছাত্ররা স্কলারশিপ পাচ্ছে। ছাত্রদের থেকে ছাত্রীরা অনেক বেশি মেধাবী। ছাত্রীরা নিয়মের মধ্যে আছে। আমাদের লক্ষ শিল্প ও কর্মসংস্থান। বাংলার ছেলেরা বাংলার কাজ পাবে সেটাই লক্ষ্য আমাদের, সবাই চাকরি পেলে আমি হাততালি দেবো।”

