সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২৪ ফেব্রুয়ারি: বেসরকারি কলেজে ভর্তি হয়ে ভবিষ্যত অনিশ্চয়তায় পড়েছে রাজ্যের ৪২ হাজার কলেজ ছাত্র ছাত্রীর সঙ্গে পুরুলিয়ার ৬০০ জন শিক্ষার্থীর। বিপাকে জেলার ডিইএলইডি (ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন) কলেজের প্রায় ৬০০ জন ছাত্র ছাত্রী। পুরুলিয়া জেলায় ১৬টি বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ আছে।
অভিযোগ, করোনাকাল থেকে অন লাইনে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। সেই সময় অফ লাইন রেজিস্ট্রেশন চলে। জেলার ১৬টি বেসরকারি কলেজে প্রায় ৬০০ ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হন। তাদের পরীক্ষার সূচি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৬ মার্চ থেকে পরীক্ষা হবে বলে বোর্ড থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়। অথচ জেলার সাথে সাথে রাজ্যে প্রায় ৪২ হাজার ছাত্র ছাত্রী পরীক্ষা দিতে পারছেন না। ফলে আগামী দিনে ছাত্র ছাত্রীদের সাথে সাথে কলেজগুলির অস্তিত্ব বিপন্নের মুখে। জেলার ১৬টি বেসরকারি কলেজ গুলির পক্ষ থেকে আজ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাইমারি) ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির কাছে প্রতিনিধিত্বমূলক ডেপুটেশন দেওয়া হয়। অবিলম্বে এই সমস্যা যাতে দূর করা যায় তার উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন জানান ওই কলেজ কর্তৃপক্ষ।

মাঝিহিড়া এলাকার কলেজের পক্ষে শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, “শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত তো বটেই এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বন্ধ হয়ে যাবে। এর সঙ্গে যুক্ত সমগ্র শিক্ষক, অশিক্ষকরা কাজ হারাবেন।”
পুরুলিয়া জেলায় শুধু নয় রাজ্যের ৪২ হাজার শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন হয়নি বলে জানান, রঘুনাথপুরের এক কলেজের পক্ষে ডক্টর জিতেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। এই নিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে ২৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় একটি বৈঠক করবেন রাজ্যের কলেজগুলোর প্রতিনিধিরা।
বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন বলে আশ্বাস দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি রাজিব লোচন সরেন। তিনি বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত জানাব।”

