আলিপুরদুয়ারের ৫টি বিধানসভাতে চতুর্থ দফায় ১০ এপ্রিল ভোট গ্রহণ, ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৭০৬টি, ভোটকর্মী ৯৬২১জন

আমাদের ভারত, আলিপুরদুয়ার, ২৭ ফেব্রুয়ারি: শুক্রবার দেশের অন্য তিন রাজ্য ও একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের সাথে সাথে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন ঘোষণা ঘোষণা করেন দেশের নির্বাকচন কমিশন। রাজ্যে মোট ৮ দফায় ভোট গ্রহণ পর্বের মধ্যে আলিপুরদুয়ার জেলার ৫টি বিধানসভা আসনে ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই দুই জেলায় উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে ওইদিন। স্বাভাবিকভাবেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জেলায়। জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনা সহ জেলা নির্বাচনের প্রথমসারির সকল আধিকারিকদের নিয়ে এক সাংবাদিক বৈঠক করে এদিন পর্যন্ত নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য সাংবাদিকদের তুলে দেওয়া হয়।
    
উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্য থেকে
জানাগেছে, জেলায় ৫টি বিধানসভা আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা, কালচিনি, মাদারিহাট এবং কুমারগ্রাম বিধানসভাতে এদিন পর্যন্ত মোট ভোটার সংখ্যা ১২লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৫৩ জন। কোভিড পরিস্থির জন্য নির্বাচন কমিশনের দেওয়া গাইড লাইন মেনে এবছর হবে ভোটগ্রহণ। ৩৮০টি বুথ বেড়ে এবার জেলায় মোট বুথ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭০৬টি।

জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনা জনানা, “আলিপুরদুয়ার জেলার ৫টি বিধানসভার জন্য নোটিফিকেশন জারি হবে আগামী ১৬ই মার্চ।নমিনেশন জমা দেওয়া যাবে আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত। ২৪ মার্চ স্কুটনির দিন ধার্য করা হয়েছে। ২৬ এপ্রিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন।”

জেলা নির্বাচনী আধিকারিক জানান, “জেলায় ৩০৮টি অগজিলারি পোলিং স্টেশন নিয়ে মোট পোলিং স্টেশনের সংখ্যা ১৭০৬টি। যারমধ্যে মাদারিহাট এলাকায় ৮৩টি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে জলপাইগুড়ি জেলার হলেও ওই একইদিনে সেখানে ভোটগ্রহণ হয়ে আলিপুরদুয়ারের স্টংরুমেই সেই ইভিএমগুলো রাখা থাকবে। জেলায় মহিলা পরিচালিত ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৩০০টি। এবার জেলায় কোচবিহারের ৮০০জন এবং জলপাইগুড়ির ৩৫০জন কর্মী নিয়ে মোট ৯৬২১জনকে ভোটকর্মী ভোটের কাজে থাকবেন।আমরা ইতিমধ্যেই প্রথম পর্যায়ের ট্রেনিং শেষ করেছি।”

তিনি আরও জানান, “ইতিমধ্যেই জেলায় মোট ২১৩টি বুথকে স্পর্শকাতর বুথ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামীতে এই সংখ্যা আরও বাড়তেও পারে। ইতিমধ্যেই জেলায় ২ কোম্পানী কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছে। তারা রুট মার্চও শুরু করে দিয়েছেন। একইসাথে নির্বাচন কমিশন ৮০বছরের বেশী প্রবীণ, অসুস্থ এবং কোভিড রোগীদের জন্য পোষ্টাল ব্যালটের বিশেষ সুবিধা করেছে। আমরাও সেইমত সমস্ত প্রস্তুতি আগের থেকেই নিয়েছি। জেলায় ৮০বছরের বেশি প্রবীনের সংখ্যা ১২৭৭৭ এবং প্রতিবন্ধী রয়েছে ৭৯৮৬জন। এরা যাতে সুষ্ঠভাবে পোষ্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান করতে পারেন সেই ব্যাবস্থা রাখা হচ্ছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *