সবংয়ের বন্যা পরিস্থিতি একই রকম, ৫০ হাজার দুর্গত মানুষকে দেওয়া হচ্ছে রান্না করা খাবার

জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ২০ সেপ্টেম্বর: ভরা কোটালের ভ্রূকুটিতে আরও বড় বিপদের আশঙ্কা করছেন সবংয়ের বানভাসী বাসিন্দারা।কয়েকদিনের একটানা প্রবল বর্ষণে বেশ কয়েকটি জায়গায় কেলেঘাই, কপালেশ্বরী, চন্ডিয়া নদীর বাঁধ ভেঙ্গে সবং ও পিংলার প্রায় ২৫ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এখনো বিভিন্ন এলাকায় জল জমে রয়েছে। আবার বৃষ্টি শুরু হওয়ায় জল বাড়ছে। ভরা কোটালের দাপটে নদীর জল আরও বাড়তে পারে এই আশঙ্কা করছেন সকলে। 
চাউলকুড়ি, নওগাঁ, বিষ্ণুপুর, দশগ্রাম, বড়সাহারা, সারতা, বাগনাবাড়, মালিগ্রাম সহ জলচক গ্রাম পঞ্চায়েতের আরো কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। 

ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধগুলিতে সেই চিরাচরিত বালির বস্তা ফেলে নদীর জল ঢোকা ঠেকানোর চেষ্টা করছেন সেচ দপ্তরের কর্মীরা। এজন্য শুরু হয়েছে বাড়তি নজরদারি। 
মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা জানান, জলবন্দি ৪৮ হাজার মানুষকে এ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে। ২০ হাজার ত্রিপল চাওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের কাছে। বিলি করা হয়েছে ৮ হাজার ত্রিপল। 

সবং পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধক্ষ্য আবু কালাম বক্স জানান, প্রতিদিন সরকারি কমিউনিটি কিচেন থেকে সবং ও পিংলার ৫০ হাজার মানুষকে দুবেলা রান্না করা খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের কর্মীরা নিরলস ভাবে প্রতিদিন লক্ষাধিক পানীয় জলের পাউচ সরবরাহ করছেন।

বন্যার হাত থেকে রেহাই পেতে রবিবার নাম সংকীর্তন করে বুড়াল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা ঘোরে একটি কীর্তনের দল। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *