যসের অনুভূতি ঝাড়গ্রাম জেলায়, সাধারণ মানুষকে সাহস জাগাতে ত্রাণ শিবিরে বিধায়করা

অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ২৬ মে: বাইরে প্রবল ঝোড়ো হাওয়া আর সাথে বৃষ্টি। রাস্তায় বিধায়করা, সাথে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন। একসাথে সমস্ত দপ্তর এবং জনপ্রতিনিধিরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ রেখে যসের মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। কোথাও গাছ পড়া, বাড়িভাঙ্গা, বিদ্যুতের খুঁটি পড়া থেকে সামান্যতম কিছু খবর পেলেই তৎক্ষণাৎ পৌছে যাচ্ছেন। থানার আইসি ও ওসিরা সাথে গাছ কাটার এবং ইলেক্ট্রিসিটির লোক নিয়ে ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন। যেখানেই গাছ পড়ছে তাদের লোকজনরা দ্রুত গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করে দিচ্ছেন।

জেলাশাসক জসসি দাশগুপ্ত নিজে অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও নিজের অফিস থেকে গোটা কন্ট্রোল রুম সামাল দিচ্ছেন। রিলিফের যাতে নুন্যতম সমস্যা না হয়। অন্যদিকে সবে এক সপ্তাহ হল জয়েন করেছেন ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার। তিনিও ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন প্রায় প্রতিটা থানা এলাকা। পাশাপাশি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন সমস্ত বিধায়করা রিলিফ ক্যাম্পে শিশু, মহিলা, সহ আশ্রয় নেওয়া মানুষের যাতে কোনও সমস্যা না হয় তার জন্য। গতকাল সকাল থেকে প্রতিটা ক্যাম্পে ঘুরে সব ব্যবস্থাপনা দেখছেন ঝাড়গ্রামের বিধায়ক তথা বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা ও গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক
ডাঃ খগেন্দ্রনাথ মাহাত। সাহস যোগাচ্ছেন সাধারণ
মানুষকে। গোপীবল্লভপুর, নয়াগ্রাম, বিধানসভার উপর দিয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্যোগ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস।
তাই চরম সাবধানতা অবলম্বন করা হয়েছে। এই ঝড়, বৃষ্টির মধ্যেই রাস্তায় বেড়িয়ে পড়েছেন তারা।

গোপীবল্লভপুর বিধানসভা এলাকার প্রায় সমস্ত
মানুষকে ৩০০-র বেশী রিলিফ ক্যাম্পে তুলে আনা হয়েছে। এই অবস্থায় গোটা প্রশাসনিক ব্যবস্থা যাতে ঠিক মতো কাজ করতে পারে তার জন্য নিজে রাস্তায় থেকে দেখভাল করছেন। দলীয় কন্ট্রোলরুম, থানা, বিডিও অফিসের সাথে টানা যোগাযোগ রেখে কাজ করে চলেছেন বিধায়করা। কোথাও সামন্যতম কিছু হলে খবর দিচ্ছেন তার দলের কর্মী ও সাধারণ মানুষরা। আর তৎক্ষণাৎ নির্দিষ্ট দপ্তরকে দিয়ে ব্যাবস্থা নেওয়াচ্ছেন। সে গাছ পড়ুক বা ইলেকট্রিক পোষ্ট। গতকাল সকাল থেকে শুরু করেছেন। যতক্ষণ না দুর্যোগ শেষে মানুষ আবার নিজের বাড়ি ফিরছেন ততক্ষণ তাদের দেখভালে রাস্তাতেই থাকবেন তিনি। তাঁদের বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো মানুষের দেখভালের জন্য থাকবেন তাঁরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *