রাজেন রায়, কলকাতা, ২৫ এপ্রিল: মিনতি ঘোষ, সন্তোষপুরের বাসিন্দা, বসয় ৪৫ বছর। শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যার কারণে ২০ এপ্রিল বাঘাযতীন হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। রোগীর পরিবার রোগীর সাথে বেশ ভালোই কথা বার্তা বলেছেন। রোগী সুস্থ ছিল। অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে বারবার হাসপাতালে চিকিৎসক রোগীর পরিবারকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার কথা বলছিলেন।
২২ এপ্রিল রোগীর মৃত্যু হয়। তাকে স্থানান্তরিত করার জন্য রোগীর পরিবারের কাছে সেই রকম অর্থ নেই। রোগীর পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা ঠিকঠাক মত পাওয়া যায়নি। হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবের জন্য মিনতি ঘোষের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ৫ দিন ধরে মিনতি ঘোষের দেহ আটকে রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যতক্ষণ না করোনা টেস্টের রিপোর্ট আসছে ততক্ষণ মিনতি ঘোষের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে না।
রোগীর পরিবারের দাবি, রোগী যখন করোনা আক্রান্ত হয়নি, তাহলে কেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পাঁচ দিন ধরে মর্গের মধ্যে দেহ আটকে রেখে দিয়েছে? কেন আমরা বারবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে গেলে রিপোর্টের জন্য তার কোনও উত্তর দেয় না কর্তৃপক্ষ? প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন পরিবারের সদস্যরা।

