পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৩ নভেম্বর: তারাপীঠের আদলে সেজে উঠবে বোল্লার প্রবেশদ্বার। জাতীয় সড়কের ধারে বহু প্রাচীন বোল্লা মন্দিরকে ঘিরে ভাবনা বালুরঘাটের সাংসদের। বৃহস্পতিবার বালুরঘাটের বোল্লা মন্দির সংলগ্ন এলাকায় একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে এমনটাই জানালেন সুকান্ত মজুমদার। সাংসদ কোটার প্রায় সাড়ে বারো লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে প্রবেশদ্বারটি। এদিন সাংসদের মুখ থেকে এই খবর পেতেই হাততালির ঝড় ওঠে ভক্তদের মধ্যে। খুশিতে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন বোল্লা রক্ষা কালী কমিটির সদস্যরা।
উত্তরবঙ্গের বহু প্রাচীন কালীপুজোগুলির মধ্যে অন্যতম নজরকাড়া এই বোল্লা কালী। বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে যার পুজো ও মেলাকে ঘিরে লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নামলেও, সারা বছরই বোল্লা কালীকে দেখতে বালুরঘাটে বোল্লা গ্রামে ভিড় জমান রাজ্য ও দেশ বিদেশের বহু মানুষ। বালুরঘাট- গাজোল ৫১২ জাতীয় সড়কের ধারে বোল্লা এলাকাটি পড়লেও দেবির মন্দির রয়েছে কিছুটা ভিতরে। যার কারণে দূর দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের সেই মন্দির চিনতে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়। আর তাদের এই সমস্যা উপলব্ধি করেই সাহায্যে এগিয়ে গিয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ। ইতিমধ্যেই তার তহবিল থেকে বরাদ্দ হয়েছে প্রায় সাড়ে বারো লক্ষ টাকা। যা দিয়েই জাতীয় সড়কের ধারে সেজে উঠবে বোল্লা কালীর মুখায়ব দিয়ে এক বিশেষ তোরণ। যা শুধু জেলা নয়, জেলার বাইরের মানুষদেরও আকর্ষণ করবে এবং এই প্রাচীন মন্দির চিনতে সাহায্য করবে। তারাপীঠের আদলেই সেজে উঠবে বোল্লা মন্দিরের প্রবেশদ্বারটি বলে জানিয়েছেন সাংসদ।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, তার তহবিল থেকে সাড়ে বারো লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বোল্লা মায়ের এই প্রবেশদ্বারটি নির্মাণের জন্য। তারাপীঠের আদলেই মা বোল্লার মুখায়ব দিয়ে সেজে উঠবে তোরণটি। পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে অতি দ্রুত সম্পন্ন হবে কাজটি।

