আমাদের ভারত,জলপাইগুড়ি, ১৮ ফেব্রুয়ারি: বাংলা ভাষাকে ‘ধ্রুপদী’ ভাষার স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কেন্দ্র সরকারকে জানানো হবে শনিবার জলপাইগুড়ি রাজ্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে একথা জানালেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। অন্যদিকে ছোট ছোট পড়ুয়ারা মোবাইলের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মন্ত্রী। কেন্দ্র সরকার এই বিষয়ে পদক্ষেপ করুক এমনটাই দাবি করলেন মন্ত্রী।
৩৮তম রাজ্য বার্ষিক প্রাথমিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হল শনিবার থেকে, চলবে রবিবার পর্যন্ত। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উপস্থিতিতে জলপাইগুড়ি বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গনে প্রতিযোগিতা সূচনা হল। উপস্থিতি ছিলেন অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ বিভাগের মন্ত্রী বুলুচিক বড়াইক, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ, মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা, পুলিশ সুপার বিশ্বজিৎ মাহাতো, জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা বর্মণ সহ প্রশাসন ও শিক্ষা দফতরের একঁঝাক কর্তা। কলকাতা থেকে কোচবিহার পর্যন্ত মোট ২২টি জেলা থেকে প্রায় বারোশো প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। এ দিন জাতীয় পতাকা ও রাজ্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পতাকা তুলে অনুষ্ঠানের সুচনা হল।
বিভিন্ন জেলার পড়ুয়ারা প্যারেড অন্যদিকে মশাল দৌড়ের মধ্য দিয়ে অভিবাদন জানায়। এদিনের মঞ্চ থেকে বঙ্গক্রীড়া বইয়ের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী সহ অতিথিরা।
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “কলকাতা থেকে দূরে এই প্রথম রাজ্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতার হচ্ছে। ক্রীড়ার মান বাড়বে। কালিম্পং ও দার্জিলিং জেলা জিটিএ-র মধ্যে রয়েছে এই কারণে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেনি। সেটা দেখা হচ্ছে আগামীতে। পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। তেলেগু, তামিল, ওড়িয়া ভাষাকে যেমন ধ্রুপদী ভাষা করা হচ্ছে ঠিক তেমনি একাদশ শতাব্দীর পুরোনো বাংলা ভাষা ধ্রুপদী ভাষার করার দাবি জানানো হচ্ছে কেন্দ্র সরকারকে। অন্যদিকে কামতাপুর ভাষার স্কুল ও শিক্ষক নিয়োগ হবে।”

