আমাদের ভারত, ১৩ জুন: “গ্রীষ্মের ছুটি ২৬ জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হল। এই আদেশ সংশ্লিষ্ট শুভবু্দ্ধিসম্পন্ন সকলের কাছেই অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক ও ভয়াবহ। অপরিণামদর্শীতার মাসুল বিদ্যালয়গুলির পড়ুয়াদের গুনতে হচ্ছে।” সোমবার এই প্রতিবেদকের কাছে এই মন্তব্য করেন। উস্তি আপার প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি সন্দীপ ঘোষ।
তাঁর বক্তব্য, “করোনাজনিত কারণের অবসানে স্কুল খোলার পর থেকেই আমরা লক্ষ করছি, যে, শিক্ষা, শিক্ষার্থী, শিক্ষকশিক্ষিকাদের প্রতি শিক্ষা দপ্তরের বধিরতা ও উদাসীনতা ক্রমবর্ধমান।
অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি, যখন দীর্ঘ দু বছর পর ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যালয়মুখী হতে শুরু করে নেহাতই খামখেয়ালের বশে আকস্মিক তৎপরতায় গ্রীষ্মের ছুটি এগিয়ে আনা হয়েছিল। প্রথম বার্ষিক মূল্যায়ন না দিয়েই তারা অকারণে, অনিচ্ছায় ছুটিতে যেতে বাধ্য হয়। সেই সিদ্ধান্তের অপরিণামদর্শীতার মাসুল আবার পশ্চিমবঙ্গের সরকারি বিদ্যালয়গুলির আপামর ছাত্রছাত্রীদের গুনতে হচ্ছে এই নতুন ছুটির আদেশে।
এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার সার্থক পরিবেশ তৈরিতে অনতিক্রম্য ও অবাঞ্ছিত বাধা ব্যতীত কিছু নয়। শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক কেউই এতে খুশি নন।
অতএব, আমরা উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে উল্লিখিত আদেশের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সনির্বন্ধ আবেদন রাখছি যে, অবিলম্বে আদেশটি সংশোধন করে, পূর্বনির্দিষ্ট আগামী ১৬/০৬/২০২২ তারিখে মর্নিং স্কুল (সকাল ৬.৩০ টা থেকে ১০.৩০) চালু করবার নির্দেশ দিন এবং সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার প্রতি আমাদের আবেগ ও দায়বদ্ধতার বিষয়টি অন্তত সরকার বুঝবার চেষ্টা করবেন।“

