টিকাকরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের হয়রানির বিরুদ্ধে ঘাটালে সোচ্চার সিপিএম

কুমারেশ রায়, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ২৪ জুন:
খোদ কলকাতায় আইএএস অফিসার পরিচয় দিয়ে টিকাকরণ ক্যাম্প প্রায় দশদিন ধরে চলছিল। ওই ক্যাম্পে টিকা নিয়েছেন সাংসদ এবং অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। পরে ধরা পড়ে পুরো বিষয়টাই ভুয়ো। এই ঘটনার আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে সারা রাজ্যে।

বৃহস্পতিবার সারা রাজ্যে টিকাকরণ নিয়ে সাধারণমানুষ-এর হয়রানির বিরুদ্ধে সোচ্চার হলো সিপিএম। পাশাপাশি ঘাটাল মহাকুমা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে কিছু অব্যবস্থার বিরুদ্ধেও আন্দোলন শুরু করেছে দল।

প্রায় এক ডজন দাবি নিয়ে বৃহস্পতিবার সিপিএম ঘাটাল মহকুমার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে সুপারিনটেনডেন্ট এর কাছে ডেপুটেশন দিল এবং দাবিপত্র পেশ করল।
প্রবীণ সিপিএম নেতা এবং পার্টির জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অশোক সাঁতরা বলেন, কলকাতায় টিকাকরণের নামে যে দুর্নীতি হলো এবং ভুয়া টিকাকরণ ক্যাম্প হলো এর সাথে এমপি এবং তৃণমূলের তাবড় নেতারা জড়িত আছে। এমনকি ঘাটালের চেয়ারম্যান এর পরিচিতরা আগে টিকা পেয়ে যাচ্ছে। এখানেও তৃণমূল দুর্নীতি শুরু করেছে। রাত আড়াইটা থেকে লাইন দেওয়া মানুষ টিকা পাচ্ছেন না অথচ তৃণমূল এবং চেয়ারম্যানের সুপারিশ করা মানুষজন টিকা পেয়ে যাচ্ছেন। আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি মহকুমা হাসপাতাল নামে সুপার স্পেশালিটি কিন্তু এখানে পরিষেবা কম। আমরা ডায়ালিসিস, সিটিস্ক্যান এবং ডিজিটাল এক্সরে মেশিন এর পরিষেবা চালু করার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি সিপিএমের অন্যান্য দাবিগুলোর মধ্যে আছে সপ্তাহে একদিন হাসপাতাল সুপারের রোগীদের ওয়ার্ডে রাউন্ড দেওয়া এবং রোগীর পরিবার পরিজনদের সাথে কথা বলা। করোনা রোগীদের প্রতি মানবিক আচরণ করা। তাঁর অভিযোগ,
ঘাটাল মহকুমা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ডাক্তাররা সময়মতো রাউন্ড দেন না।

সিপিএম নেতৃত্ব জানিয়েছেন যদি এই দাবিগুলির বিহিত না হয় তাহলে লাগাতার এবং বৃহত্তর আন্দোলন হবে। এ দিনের কর্মসূচিতে ছিলেন উত্তম মন্ডল, চিন্ময় পাল সহ অন্যান্যরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *