রাজেন রায়, কলকাতা, ২০ ফেব্রুয়ারি: গরু পাচার কাণ্ডের সঙ্গে বিএসএফ এবং রাজনৈতিক যোগ আগেই পেয়েছিলেন সিবিআই গোয়েন্দারা। আর সেই তদন্তেই যুব তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্রের নাম উঠে আসে। এই নেতার মাধ্যমেই দক্ষিণ কলকাতার রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতাদের কাছে গরু পাচার কান্ডের টাকা পৌঁছে দেওয়া হত, এমনটাও জানা গিয়েছে। এবার এই বিনয় মিশ্রকে ফেরার ঘোষণা করল সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। ২২ মার্চের মধ্যে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজিরা না দিলে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বিনয়ের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে, এদিন এই মর্মে বাসবিহারীতে তাঁর বাড়ির সামনে নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছে সিবিআই।
তিন তিনবার তলব করা হলেও এখনও সিবিআইয়ের সামনে হাজির হননি বিনয় মিশ্র। তাঁর বাড়ি থেকে একাধিক ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বিনয়ের নামে ইতিমধ্যে লুকআউট নোটিশও জারি করা হয়েছে। জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানাও। এত কিছুর পরেও তাঁর দেখা না মেলায় এবার তাঁকে ফেরার ঘোষণা করল আদালত।
এদিকে, এখনও ফেরার কয়লা পাচার কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা। তাঁর নাগাল পেতে শুক্রবার আসানসোল, বাঁকুড়া, বর্ধমান পুরুলিয়া সহ রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় শুক্রবার তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। এদিন পুরুলিয়ার নিতুড়িয়ায় লালার শ্বশুরবাড়িতেও তল্লাশি চলে। আর এই তদন্ত অভিযানের মধ্যে এদিনই বিনয় মিশ্রের নাগাল পেতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিন অনুপ মাঝি ওরফে লালার খোঁজে আসানসোলের কয়লা ব্যবসায়ী জয়দেব মণ্ডলের বাড়িতেও হানা দেয় সিবিআই। যে কারখানায় কয়লা পাচার করা হত সেখানেও এদিন যান তদন্তকারীরা।

