আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ৮ সেপ্টেম্বর: উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে করোনা যোদ্ধা পুলিশ কর্মীদের মেডেল ও শংসাপত্র প্রদানের মধ্যে দিয়ে পালিত হল পুলিশ দিবসের অনুষ্ঠান । ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের সেই সব করোনা যোদ্ধাদের এদিন সন্মানিত করা হয়েছে যাঁরা সামনের সারিতে থেকে করোনা মোকাবিলা করতে গিয়ে নিজেরা আক্রান্ত হয়ে করোনার বিরুদ্ধে জয় পেয়ে পুনরায় কাজে যোগ দিয়েছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সব পুলিশ কর্মী করোনা যোদ্ধাদের জন্য শংসাপত্র পাঠিয়ে ছিলেন, যা মঙ্গলবার ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে পুলিশ দিবসের অনুষ্ঠানে কোভিড যোদ্ধাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই উপলক্ষে একটি সাংস্কৃতিক অনুঠানের আয়োজন করা হয়।

ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা নিজে করোনা যোদ্ধা পুলিশ কর্মীদের সন্মানিত করেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনা যোদ্ধা পুলিশ কর্মীদের জন্য আগেই ঘোষনা করেছিলেন, যে পুলিশ কর্মীরা করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে অসুস্থ হবেন তাদের রাজ্য সরকার সব দিক দিয়ে সাহায্য করবে। এদিন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা পুলিশ দিবসের অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মত করোনা যোদ্ধা পুলিশ কর্মীদের মেডেল ও শংশাপত্র ছাড়াও তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১ লক্ষ টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।”

মনোজ ভার্মা বলেন, “গোটা দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকায় বিভিন্ন রাজ্যে পুলিশ কর্মীরা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ কর্মীদের জন্য যে পুলিশ দিবসের ঘোষনা করা হয়েছে তা এক অন্যান্য স্বীকৃতি রাজ্যের সর্বস্তরের পুলিশ কর্মীদের জন্য। এই করোনা আবহে কিভাবে পুলিশ কর্মীরা কাজ করবে তার কোনও আগাম পরিকল্পনা ছিল না। কারন হঠাৎ করে এই রোগের সঙ্গে সকলকে লড়তে হচ্ছে। কিন্তু চিকিৎসকদের পরেই যেভাবে পুলিশ কর্মীরা তাদের দায়িত্ব সামলেছেন তাতে আমাদের রাজ্যে করোনা পরিস্থিতিতে ভালো কাজ হয়েছে। ২০১৯ সালেও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ ভালো কাজ করেছিল। সেই সময় আইন শৃঙ্খলা জনিত সমস্যা ছিল, যা এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সক্ষম হয়েছে।”

