রাজেন রায়, কলকাতা, ৭ আগস্ট: গত বছর প্রস্তাবিত বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল পাস আটকে গেলেও এ বছর ফের তোড়জোড় শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর তার আগেই ফের বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ফের চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বিলকে জনস্বার্থ বিরোধী বলে তিনি দাবি করেছেন।
নরেন্দ্র মোদী সরকারের প্রস্তাব, বিদ্যুৎ পরিবহণ, সংবহণ বা ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত আইনি বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য একটি পৃথক সংস্থা গঠন করা হবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলির দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন রাজ্যের বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাগুলি আর থাকবে না। বিদ্যুৎ মাসুল বাড়ানো সম্ভাবনা রয়েছে।
সংবিধানে বিদ্যুৎ একটি যৌথ তালিকাভুক্ত বিষয় সেকথা মনে করিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই বিল পাশের ফলে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। যা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য ক্ষতিকর। ২০২০ সালের ১২ জুন চিঠি লিখে আমি ওই বিতর্কিত বিলে খামতির দিকগুলি আপনার কাছে তুলে ধরেছিলাম। আবারো সেই কথা মনে করিয়ে দিলাম।”
প্রসঙ্গত, নয়া বিদ্যুৎ আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, বিদ্যুতের বিলের পুরো টাকা প্রথমে গ্রাহকদের দিতে হবে। পরে ভর্তুকির টাকা তাঁরা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফেরত পেয়ে যাবেন। ফলে বহু গ্রাহক টাকার অভাবে ঠিক সময়ে বিল মেটাতে পারবেন না বলে আশঙ্কা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামের গরিবদের অনেকেরই বিদ্যুৎ সংযোগ চলে যাবে এবং তার ফলে দুর্নীতি হবে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

