থাপ্পড় খেতে খেতে রাজ্যের গাল লাল হয়ে গেছে! হাইকোর্ট থেকে কেশপুরের সভার অনুমতি পাওয়ার পর কটাক্ষ সুকান্ত মজুমদারের

আমাদের ভারত, ১৮ এপ্রিল:
বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কেশপুরের সভার অনুমতি দিল হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের বেঞ্চ এই সভার অনুমতি দিয়েছেন। কেশপুরের বিশ্বনাথপুরে বাজার কমিটির সভাপতি মধুসূদন কারক অনুমতি দিলেও কেন শেষ মুহূর্তে প্রত্যাহার করলেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত। সভা করার অনুমতি পাওয়ার পর বিজেপি রাজ্য সভাপতি প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেছেন, আদালতে থাপ্পড় খেতে খেতে রাজ্যের গাল লাল হয়ে গেলেও লজ্জা নেই। তাঁর কথায় চোরদের মান সম্মান বোধ থাকে না।

প্রথমে সভার অনুমতি দিলেও শেষ মুহূর্তে বাজার কমিটির সভাপতি এবং আরো দুজন লিখিতভাবে আপত্তি জানিয়েছিলেন এই সভার ব্যাপারে। এদের তিনজনকেই মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বাজার কমিটির সভাপতি মধুসূদন কারককে আদালতে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে কেন পরে অনুমতি প্রত্যাহার করলেন তিনি? তিন সপ্তাহ পরে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন স্থির করা হয়েছে।

আদালতের তরফে সভার অনুমতি পাওয়ার কথা জানার পরে সংবাদ মাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, গণতন্ত্র নেই পশ্চিমবঙ্গে। তাঁর কথায় প্রত্যেক বার হাইকোর্টে গিয়ে থাপ্পড় খেতে খেতে রাজ্য সরকারের গাল লাল হয়ে গেছে। যার সম্মান থাকে তার মান সম্মান যাওয়ার ভয় থাকে। চোরেদের আবার মান সম্মান কিসের?” প্রশাসনের উদ্দ্যেশ্যে তার বার্তা, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী যেনো এই সভা তারা পরিচালনা করতে উপযুক্ত পদক্ষেপ করেন।

কেশপুরের বিশ্বনাথপুরে ভাতশালা মাঠে আজ সভা করার জন্য গ্রামের কমিটির তরফে ১৬ এপ্রিল স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু সেই অনুমতি দেওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে তা প্রত্যাহার করে নেয় পুলিশ। গতকাল বিজেপিকে জানানো হয় যে কেশপুর থানায় পুলিশের কাছে সভার স্থল নিয়ে বেশ কিছু আপত্তি জমা পড়েছে। সেই কারণে ওই জায়গায় সভা করার অনুমতি দিচ্ছে না পুলিশ।

এই পরিস্থিতিতে সভার জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। গত রাতে পুলিশের তরফে অনুমতি না দেওয়ার পর ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তন্ময় দাস অভিযোগ করেছিলেন পুলিশের বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, বাজার কমিটি ও গ্রাম কমিটি থেকে অনুমতি আগেই নেওয়া হয়েছিল। সেই অনুমতি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিশের তরফ থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *