আমাদের ভারত, নদিয়া, ২২ জানুয়ারি: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এ রাজ্যের জেলাশাসকরা আজ প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেননি। পশ্চিমবঙ্গের আইপিএস, আইএএস এবং আইএফএসের আধিকারিকদের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আইন সংশোধন করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরপর আর কোনো অফিসাররা মুখ্যমন্ত্রীর কথা শুনবে না। শনিবার নদিয়ার কল্যাণীতে একটি দলীয় বৈঠকে এসে একথা বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আইন সংশোধন নিয়ে আজ প্রধানমন্ত্রী সমস্ত রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক ডেকেছিলেন। অথচ পশ্চিমবঙ্গের কোনো জেলাশাসক তাতে অংশগ্রহণ করেননি। কেন না, মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকেই তাঁর সচিব গৌতম সান্যাল সমস্ত জেলা শাসকদের প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে অংশগ্রহণ না করতে জানিয়েছিলেন বলে শুভেন্দু বাবুর অভিযোগ। নদিয়ার গয়েশপুরে আজ এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সহ সেন্ট্রাল ক্যাডারের আধিকারিকরা কেন্দ্রীয় সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেন। অথচ রাজ্য সরকারের কথায় চলে। এই আইন সংশোধন হলে এই জেলাশাসকরাই আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কথা শুনবেন না।
গয়েশপুরের গোল বাজারে গত ১৮ জানুয়ারি দলীয় কার্যালয় ভাঙ্গচুর এবং দলীয় কর্মীদের মারধর করার অভিযোগে আজ শুভেন্দু বাবু সেখানে যান। গোয়াতে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় ভাঙ্গচুরের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন যে, সংবাদমাধ্যম তৃণমূলকে ত্রিপুরায় গাছে তুলে দিয়েছিল। গোয়াতেও তাই হচ্ছে। তিনি বলেন যে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু যদি ভারতবর্ষের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতেন তাহলে আজকের ভারতবর্ষে এই দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণা ও বেকারত্ব থাকত না।

