জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ২০ ফেব্রুয়ারি: ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলেও জঙ্গলমহলে এসে পৌঁছাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যেই বাঁকুড়া, বীরভূম ও বর্ধমান জেলায় জওয়ানরা এসে পৌঁছেছে। দু একদিনের মধ্যেই জঙ্গলমহলে বাহিনী এসে পৌঁছাবে বলে সূত্রের খবর। জঙ্গলমহলে পৌঁছে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ করবে। বিধানসভা নির্বাচনে এরাজ্যে যে ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে তার মধ্যে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরের জন্য ২৬ কোম্পানি বাহিনী থাকছে। তার মধ্যে মাওবাদী প্রভাবিত পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রাম জেলাতে থাকবে ৯ কোম্পানি করে ১৮ কোম্পানি। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৫ কোম্পানি ও বাঁকুড়া জেলাতে ৩ কোম্পানি বাহিনী আসছে।
রাজ্যের বিরোধী দলগুলো আদর্শ নির্বাচন বিধি চালু হওয়ার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের আর্জি জানিয়েছিল। কার্যত তাদের সেই দাবি পূরণ হতে চলেছে। বিজেপি সহ বিরোধীদের দাবিকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এনে চমক দেওয়ার চেষ্টায় কিছু হবে না। মানুষ যাকে ভোট দেবার তাকেই দেবে।

বিজেপির জেলা সভাপতি শমিত দাস বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। বাহিনীকে বসিয়ে না রেখে স্পর্শকাতর’ এলাকাগুলিতে তাদের বেশি করে রুটমার্চ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, জঙ্গলমহলের চার জেলা ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুর সহ পূর্ব মেদিনীপুরের মোট ৫৬টি বিধানসভার আসন রয়েছে। সেগুলি থেকে ইতিমধ্যেই তৃণমূলকে সাফ করার যে কথা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন সেই প্রেক্ষিতে জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী আসায় বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

