রাজেন রায়, কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর: পুজোর ছুটির সময় উপনির্বাচন হোক বা পুরভোট, তাতে কোনো সমস্যা নেই। বুধবার এ বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছিলেন রাজ্যের নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তা এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি দিল্লি নির্বাচন কমিশনে। এদিকে একদিকে উপ নির্বাচন না হওয়ায় যেমন আটকে রয়েছে খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ অনেকের ভাগ্য, ঠিক তেমনি পুরভোট না হওয়াতে রাজ্যের পৌরসভা গুলিতেও বাড়ছে সমস্যা। তাই কমিশনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার। শীঘ্রই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির এজলাসে মামলাটির শুনানি হতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে।
৬ মাসের মধ্যে উপনির্বাচন না হলে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার ছাড়তে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলে হাতে আর দু’মাস সময় রয়েছে। এই অবস্থায় পুজোর আগেই ভোট চেয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল। কমিশনও আস্তে আস্তে সক্রিয়তা দেখাতে শুরু করেছে। কিন্তু ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা এখনও দেখা যায়নি। কি কারণে এত দেরি হচ্ছে তার কোন উদ্দেশ্যও বোঝা যাচ্ছে না। যদিও ডেপুটি সিইওদের সাথে বৈঠক করে প্রাথমিক কিছু কাজে এগিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য উঠতে পারে। দ্রুত শুনানির জন্য আবেদনও করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলাকারীর প্রশ্ন, কেন এখনও পর্যন্ত তারা ভোট ঘোষণা করতে পারল না? এই মর্মেই কমিশনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের হতে চলেছে বলে খবর। সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, এই মামলায় ‘পক্ষ’ হিসেবে যুক্ত করা হতে পারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, এমনকী, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককেও।

