স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ১ নভেম্বর: “এখানে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব শুধু পুলিশের নয়, বিএসএফেরও। জেলা সভাপতিকে বলব বিএসএফের সঙ্গে দেখা করুন, আমরাও কথা বলব। সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের পেট্রোলিং বাড়াতে হবে। তৃণমূলের নামের তালিকা তৈরি করে বিএসএফকে দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।”
“তৃণমূল এখানে চোরা চালান করে, তৃণমূলের গুন্ডারা এখানে অসামাজিক কাজ করে। তৃণমূল পুলিশের সঙ্গে মিশে গেছে। তাই তৃণমূলকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যেই বিএসএফ আসছে এবং থাকবে।”
ইটাহারে অবস্থান বিক্ষোভের মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে তৃণমূল ও পুলিশের বিরুদ্ধে এভাবেই আক্রমণ শানালেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। সোমবার উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারে দুষ্কৃতিদের গুলিতে নিহত মিঠুন ঘোষের খুনে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে ইটাহার বাস স্ট্যান্ডের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন সায়ন্তন বসু।
পালটা জেলা তৃণমূল নেতা অরিন্দম সরকারের বক্তব্য, বিজেপি চাইছে বিএসএফকে দিয়ে তৃণমূলের মোকাবিলা করা। কিন্তু তৃণমূলের এতে কিছু যায় আসে না। সংবিধান উলঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী কাজ করছে।

