পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ২৮ ফেব্রুয়ারি: বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বাংলা বনধকে ঘিরে ধুন্ধুমার কান্ড বালুরঘাটে। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি বিজেপির রাজ্য সভাপতির, চলল বিজেপি কর্মীদের সাথে মারপিটও। সোমবার সকালে এই ঘটনাকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় বালুরঘাটের রঘুনাথপুর এলাকায়।
পুরভোটে শাসকদল তৃণমূলের ভোটলুট ও সন্ত্রাসের অভিযোগে এদিন সকালে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারে নেতৃত্বে রাস্তায় নামে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ১২ ঘন্টার বনধকে সফল করতে ৫১২ জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রাস্তায় বসে পড়েন সুকান্ত মজুমদার। যার জেরে এলাকা অবরুদ্ধ হতেই পুলিশের সাথে শুরু হয় বিজেপি নেতা কর্মীদের বাগবিতন্ডা। চলে ধাক্কাধাক্কি ও মারপিটের ঘটনাও। যেখানেই পুলিশের হাতে হেনস্থা হতে হয় রাজ্য সভাপতি কে। আর যাকে ঘিরেই এদিন তুমুল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শহরের রঘুনাথপুর এলাকা। যদিও পরে উভয়ের আলোচনাতেই স্বাভাবিক হয়েছে পরিস্থিতি।
রবিবার রাজ্যজুড়ে চলা ১০৮ টি পুরসভা নির্বাচনে ব্যাপক ভোট লুট ও সন্ত্রাস হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে সোমবার ১২ ঘন্টা বনধের ডাক দেয় রাজ্য বিজেপি। যার জেরে এদিন সকাল থেকেই রাস্তায় নামে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্বরা। চলে বালুরঘাটের সরকারী বাসস্ট্যান্ডের সামনে পিকেটিং ও। তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডুর নেতৃত্বে ওই পিকেটিং চলবার সময় এলাকায় হাজির হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা এলাকার সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। বেশকিছুক্ষন বিক্ষোভ চলার পর সুকান্তর নেতৃত্বে দলীয় কর্মীরা একটি মিছিল করে হাজির হন শহরের রঘুনাথপুর এলাকায়। সেখানে পৌঁছে বালুরঘাট – গাজোল ৫১২ জাতীয় সড়ক অবরোধ করতেই শুরু হয় পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি ও মারপিট। এর কিছুক্ষণ পর ফের সেখান থেকে একটি মিছিল করে জেলা শাসকের অফিসের সামনে হাজির হন সুকান্ত মজুমদার। চলে বনধের সমর্থনে বিজেপি কর্মীদের পিকেটিং ও বিক্ষোভ।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, বনধের সমর্থনে তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দিয়েছে পুলিশ। ধাক্কাধাক্কি ও মারধর করা হয়েছে তাদের বিধায়ক ও দলীয় কর্মীদের। শাসক দলের দলদাস হয়েই এসব কাজ করছে পুলিশ।
ডিএসপি সোমনাথ ঝা বলেন, বনধকে ঘিরে পিকেটিং করার জন্য এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

