আমাদের ভারত, ৩০ জুলাই:
মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের শুনানির দ্বিতীয় দিনে বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু উপস্থিত ছিলেন না মুকুল রায়। কারণ তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দিল্লি সফরে ছিলেন। দ্বিতীয় দিনের এই শুনানিতে প্রায় আধঘণ্টা অধ্যক্ষের ঘরে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু সেখান থেকে বেরিয়ে এসে বিরোধী দলের নেতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগী আইন দ্রুত যাতে কার্যকর হয় তার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ভাবনা শুরু করে দিয়েছে বিজেপি।
বিজেপির পরিষদীয় দল মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের বিষয়টি ফেলে রাখতে নারাজ। এই বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনে তারা আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এর আগে গত দশ বছরে একটিও দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর হয়নি। গাজোলে সিপিআইএম বিধায়ককে ক্ষেত্রে ২৩ বার শুনানি হয়। এই শুনানি হতে হতে আবারও একবার ভোটও চলে এসেছিল, কিন্তু বিধায়ক পদ খারিজ হয়নি। তবে এবার অধ্যক্ষ এ বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর কথায় পূর্ব অভিজ্ঞতা বলে এই রকম একটা ঘটনাও সময়ে নিষ্পত্তি হয়নি। তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের বিষয়টি যাতে নিষ্পত্তি হয় তার জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়ার চিন্তাভাবনা করছি। আগস্ট মাসেই এটা করব।
গত ১১ জুন তৃণমূলে যোগদান করেন মুকুল রায়। কিন্তু খাতায়-কলমে তিনি এখনও বিজেপি বিধায়ক। এরমধ্যে তাঁকে পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবেও মনোনীত করা হয়। কিন্তু এই নির্বাচনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায় ইতিমধ্যেই মামলা করেছেন।

