মহারাষ্ট্রে বিজেপি প্রচুর টাকা খরচ করেছে, এই কথা বলায় তোপের মুখে বিমান বসু

আমাদের ভারত, ১ জুলাই: মহারাষ্ট্রে সরকার ফেলে নয়া সরকার গড়ায় বিজেপি-র অর্থব্যয় নিয়ে মন্তব্য করে নেটানাগরিকদের ব্যঙ্গের শিকার হলেন প্রবীন সিপিএম নেতা বিমান বসু।

মহারাষ্ট্রে সরকার ভাঙাগড়ার নেপথ্যে অপর্যাপ্ত অর্থ খরচ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিমান বসু। একটি সংবাদ চ্যানেল ফেসবুকে সেই খবর প্রকাশ করার কয়েক ঘন্টা বাদে শুক্রবার সহস্রাধিক প্রতিক্রিয়া এসেছে।

শ্যাম রায় লিখেছেন, “এই এক বুড়ো ভাম, কুটু কথা ছাড়া এর নেই কোনো কাম….!“ পবন কুমার লিখেছেন, “চিন্তা নেই বেমান দা পালঘর সাধু হত্যার ফাইল খুলবে ৯৯% ভামপন্থী জড়িত।“

পার্থ চক্রবর্তী লিখেছেন, “পালঘর এর মত হয়তো আর কোনো কেস হবে না, তাই এত চুলকানি।“ জীবন সহিস লিখেছেন, “ও দাদু সেদিন কোথায় ছিলেন যেদিন ওরা জোট করে জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে বিজেপির সাথে বেমানি করে? চিনে গিয়েছিলেন মনে হয়!“

মহেন্দ্র দাস লিখেছেন, “দাদুর একটা এমএলএ ওদের সাথেই ছিলো। যেখানে সাধুদের পুড়িয়ে মেরেছিল, সেই পালঘরের এমএলএ সিপিআইএম এর। ওই এমএলএ সমর্থনের জন্য ভালো টাকা নিতো, আর সাধু হত্যার তদন্ত ঠিক করে শুরু হলে জেল হবে।“

পুলক ধর লিখেছেন, “মহারাষ্ট্রে বামেদের আবার কিসের চুলকানি, ওখানে না সিপিএম বিরোধী, না ক্ষমতায়।“

মঞ্চে সংখ্যালঘু নেতার সঙ্গে হাতে হাত ধরা বিমান বসুর ছবি-সহ দীপঙ্কর ঘোষ লিখেছেন, “আমাদের ছমপ্রীতি দাদু“।
স্বদেশ পাল লিখেছেন, “কতো আর করবি রে ছ্যাবলামি?“

অনিল মারিক লিখেছেন, “শরীরটা খুব খারাপ বাড়িতে প্লিজ একটু বিশ্রাম নিন। প্রণাম।“

বিপুল মণ্ডল লিখেছেন, “জং ধরা বিমান চলে না।“ বিশ্বদেব দাস লিখেছেন, “সোকলড “গণতান্ত্রিক” ভারতবর্ষে “সংখ্যাগরিষ্ঠ” হিন্দুদের সমর্থনে কেউ কিছু করলেই সে সাম্প্রদায়িক, কিন্তু হিন্দুদের খিস্তি দিয়ে, হেয় করে সংখ্যালঘু তোষণ করলে সে ধর্মনিরপেক্ষ, উদার……।” সীতাংশু শেখর লিখেছেন, “হরিনাম কর, মরণকাল হাজির। কিছু পাপক্ষয় হোক।“

সাব্বির মন্ডল লিখেছেন, “দেশের নিজস্ব স্বকীয় গণতন্ত্র আজ বিপন্ন ও ধর্ষিত হলো। এর খেসারত বিজেপিকেই দিতে হবে। ঔরঙ্গজেব ঠিক একই কায়দায় গোটা ভারতবর্ষের ক্ষমতাকে মুষ্ঠিবদ্ধ করতে গিয়েছিলো, তার পরিণাম কি হয়েছিল ইতিহাস তার সাক্ষী। অথচ আকবর বিভিন্ন জাতি নির্বিশেষে সব্বাইকে নিয়ে ভারতে দীর্ঘদিন রাজ কায়েম করেছিল।“ সাব্বির মন্ডকে পালটা জনৈক সাহাবাবু প্রশ্ন করেছেন, “আকবর কি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার চালিয়েছিল?“

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *