স্বরূপ দত্ত, উত্তর দিনাজপুর, ২৭ মে: ফেরিওয়ালা হত্যাকান্ডের পর ফের হেমতাবাদে ভুট্টাক্ষেত থেকে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির মৃতদেহ। শনিবার সকাল থেকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হেমতাবাদের বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বেলডিঘি এলাকায়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃতের নাম ওসমান আলি। বাড়ি ঐ এলাকাতেই। পরিবারের দাবী, শুক্রবার রাতে পুরেনো একটি মামলায় ওসমানের খোঁজে তল্লাশী অভিযানে যায় হেমতাবাদ থানার পুলিশের একটি দল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১২ সালের একটি মামলা ছিল ওসমানের বিরুদ্ধে। তার ভিত্তিতেই পুলিশ তল্লাশী অভিযান চালায়। যদিও সেসময় বাড়ি ছেড়ে বেড়িয়ে যান ওসমান। তাকে না পেয়ে ফিরে যায় পুলিশ। এদিকে তারপর থেকে আর কোনো খোঁজ মেলেনি প্রৌঢ়ের। শুরু হয় খোঁজাখুজি।
রাতভর নিখোঁজ থাকার পর শনিবার সকালে ভুট্টাক্ষেত থেকে উদ্ধার হয় ওসমানের মৃতদেহ। কিভাবে তার মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরী হয় ধোঁয়াশা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় হেমতাবাদ থানার পুলিশ বাহিনী। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।
পরিবারের অভিযোগ, ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু তার সাথে কারও শত্রুতা ছিল না। সুতরাং কি কারনে এমনটা ঘটল তা নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য। উপযুক্ত তদন্তের দাবী জানিয়েছে পরিবার। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান শারীরিক অসুস্থতার কারনে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

