অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ২৪ আগস্ট: ঝাড়গ্রাম জেলায় স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে হঠাৎ করেই বন্ধ করে দেওয়া হল থ্যালাসেমিয়া টেষ্ট। জঙ্গলমহল আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা। এখানে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। আদিবাসী মানুষের সংখ্যা এখানে যথেষ্ট বেশি।আদিবাসী মানুষজনদের মধ্যে এক অন্য ভারিয়েন্ট পাওয়া যায়(সিকেলসেল অ্যানিমিয়া)। বর্তমানে আক্রান্ত প্রায় ২%। এছাড়াও এখানে সাধারণের মধ্যে বিটা থ্যালাসেমিয়া দেখা যায়।
২০১৬ সালে বর্তমান সরকার দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পরই জঙ্গলমহলে থ্যালাসেমিয়া রোধে বিশেষ উদ্যোগ নেয়। তখন থ্যালাসেমিয়ার হার ছিল প্রায় ২০%। এরপরেই এক এনজিওকে দিয়ে থ্যালাসেমিয়া প্রচার ও ব্লক হাসপাতালগুলোতে নিখরচায় টেষ্টের ব্যাবস্থা করা শুরু হয়। শুরুতে এই রোগ নিয়ে মানুষের কোনও সচেতনতা ছিল না। তবে বর্তমানে প্রতিটা ব্লক হাসপাতালে ২দিন করে ক্যাম্প করা হয়। নির্দিষ্ট দিনে আশা কর্মীরা প্রতি গ্রাম থেকে ১০ জন করে লোক নিয়ে আসেন এভাবে চেন পদ্ধতিতে প্রত্যন্ত গ্রামে থ্যালাসেমিয়া প্রচার চালানো সম্ভব হয়েছিল। ফল ও মিলছিল হাতেনাতে। বর্তমানে থ্যালাসেমিয়া অক্রান্তর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬% এ।

এনজিও সদস্য সুব্রত চক্রবর্তী জানান, এটা জঙ্গল মহলের মানুষকে বিপদে ফেলে বর্তমান রাজ্য
সরকারকে বিপদে ফেলার এক বড় চক্রান্ত। এই সিদ্ধান্ত বদল করার জন্য ডাক্তার বিধায়ক, হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ডাঃ খগেন্দ্রনাথ মাহাত কে সমস্ত বিষয় জানান।
ডাঃ খগেন্দ্রনাথ মাহাত বলেন, বিষয় টা তিনি জেনেছেন যথা স্থানে বিষয়টা তিনি জানাবেন।এখন দেখার কবে থেকে আবার শুরু হল এই থ্যালাসেমিয়া টেস্ট।

