আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ৯ আগস্ট: পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে নির্বাচন পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদে এবং রাজ্যজুড়ে ভ্যাকসিন নিয়ে দুর্নীতির প্রতিবাদে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার পশ্চিমবঙ্গের ডাকে জেলায় জেলায় মশাল মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বিভিন্ন জায়গায় মশাল মিছিল করেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। আর সেই মিছিল ঘিরে জায়গায় জায়গায় বাধে গণ্ডগোল।
ব্যারাকপুরে বিজেপির মিছিল ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপির সাথে পুলিশের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ও হাতাহাতি চলে। বিজেপির কর্মসূচি অনুযায়ী ব্যারাকপুর স্টেশন থেকে বের হয় বিজেপির মিছিল। বিজেপি নেতা তথা বিজেপির ব্যারাকপুর সংগঠনের সভাপতি রবিন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে সেই মিছিল চিড়িয়া মোড়ের দিকে এগোতে গেলে পুলিশের অনুমতি না থাকার জন্য সেই মিছিলকে আটকে দেয় ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ কর্মীরা। বিজেপি নেতা ও কর্মীদের সাথে চলতে থাকে উতপ্ত বাক্য বিনিময়। এই মিছিল ঘিরে পুলিশের সাথে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তির সৃষ্টি হয়। এরপর পুলিশ সেই মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে ব্যারাকপুর স্টেশনে বিজেপি কর্মীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে মিছিল সমাপ্ত করেন।

অপর দিকে বিজেপির শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে মশাল মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল পানিহাটিতে।
সোমবার সোদপুর মুরাগাছা মোড় থেকে বের হওয়া বিজেপির শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে মশাল মিছিল ও প্রতিবাদ মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। বিধায়ক অনুপ সাহা ও বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্তের নেতৃত্ব এদিন
পানিহাটিতে মিছিল করে কয়েকশো বিজেপি কর্মীরা।
কিন্তু পুলিশি বাধার পরও বিজেপি কর্মীরা মিছিল করার চেষ্টা করে। বিজেপি কর্মীরা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে মিছিল করার চেষ্টা করে। তখনই পুলিশের সঙ্গে হয় বচসা। প্রথমে পুলিশ মিছিলে অংশ গ্রহণকারীদের সাথে করোনা বিধি ভঙ্গ না করার কথা বলেন, কিন্তু বিজেপি কর্মীরা তা না শুনলে তখন পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে বিজেপি কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থক আটক হন।
মহামারী আইন অমান্য করায় পুলিশ সাতজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

