Sukanta, BJP, দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সামনে তৃণমূলের ধর্নায় উত্তেজনা! রাজ্যে বিরোধীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যবহার মনে করালেন সুকান্ত

আমাদের ভারত, ৯ জানুয়ারি: আইপ্যাক কান্ডে মুখ্যমন্ত্রীকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। একই সঙ্গে দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সামনে তৃণমূল সাংসদদের বিক্ষোভ নিয়েও করলেন কটাক্ষ।

কলকাতায় আইপ্যাকের অফিসে ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশির বিরুদ্ধে অমিত শাহর দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে তৃণমূল কংগ্রেসের আট সাংসদ। সে কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত সাংসদদের আটক করে টেনে হিঁচড়ে
চ্যাংদোলা করে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়। এই ঘটনায় তৃণমূল সাংসদদের কটাক্ষ করেছেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সামনে ধর্না দেওয়া কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এখানে সরকারি কর্মচারী ও আধিকারিকদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এরফলে দেশে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তিনি মনে করিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ আন্দোলন করতে গেলেই তাদের পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। তিনি নিজে একলা লালবাজারে বেঞ্চে বসে কাটিয়েছেন। আর সেই তৃণমূল গণতন্ত্রের কথা বলছে। তিনি তৃণমূল সাংসদদের পুরনো ভিডিওগুলো একবার দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

অন্যদিকে আইপ্যাক কান্ডে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিনতাইবাজ এটা জানা ছিল, কিন্তু এই ঘটনা প্রমাণ করল মুখ্যমন্ত্রী পাকা ক্রিমিনাল।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, ফাইল ছিনতাই করে নিয়ে চলে গেল। শুধু তাই নয়, তিনি কি গাড়ি নিয়ে এসেছিলেন, আর সেই গাড়ির নম্বর যাতে ক্যামেরার সামনে না পড়ে, তৃণমূল কর্মী বা পুলিশের কেউ কেউ হাত তুলে যীশু খ্রীষ্ট হয়ে ওই নম্বর ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যে ছিনতাইবাজ এটা কিন্তু আমাদের জানা ছিল, এই ঘটনা প্রমাণ করলো মুখ্যমন্ত্রী পাকা ক্রিমিনাল। তথ্য প্রমাণ লোপাট করার বুদ্ধি তো ক্রিমিনালদের কাছে থাকে। দাগি ক্রিমিনাল যাকে বলে। মুখ্যমন্ত্রী একজন দাগী অপরাধী। ভারতবর্ষের ইতিহাসে এরকম কার্যকলাপ কোনো মুখ্যমন্ত্রী করেননি।

অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর মেগা পদযাত্রাকে চোর বাঁচাও যাত্রা বলেও কটাক্ষ করেছেন সুকান্তবাবু। তাঁর কথায়, এভাবে কতদিন চোরকে বাঁচাবেন? চোরেরা ভেতরে যাবেই, কেউ আটকাতে পারবে না। আইপ্যাক- এর কাছে যদি কয়লার টাকা ঢুকে থাকে তাহলে আইপ্যাকে যারা যুক্ত তাদের জেলে যেতে হবে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আইপ্যাকের দপ্তরে সরকারি নথি কিভাবে পৌঁছালো? মুখ্যমন্ত্রীকে এর জবাব দিতে হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *