আমাদের ভারত, হাওড়া, ২৭ জুন: বিধানসভা নির্বাচনের পর জেলা নেতৃত্ব তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে না এই অভিযোগে রবিবার বিকেলে রাজ্য নেতৃত্বের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়ল বিজেপির নেতাকর্মীদের একাংশ। রবিবার বিকেলে ফুলেশ্বরের মনসাতলায় বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলা সদর কার্যালয়ে ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে ভাঙ্গচুর চালায় বলে অভিযোগ। যদিও বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের লোকজন ভাঙ্গচুর করেছে।
রবিবার বিকেলে ফুলেশ্বরের মনসাতলায় বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলা সদর কার্যালয়ে বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী পর্যালোচনা বৈঠক ছিল। রাজ্য বিজেপির সংগঠন সম্পাদকঅমিতাভ চক্রবর্তী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছিলেন বিজেপি নেতা অনুপম মল্লিক, বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলা সভাপতি প্রত্যুষ মন্ডল, বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন এমন প্রার্থী সহ দলের শাখা সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সূত্রের খবর এদিন বৈঠক শুরু হওয়ার পরেই রাজ্য নেতৃত্বে সামনে জেলা নেতৃত্বের কাজকর্মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলের নেতাকর্মীদের একাংশ। তাদের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের পর জেলার বিভিন্ন জায়গায় কর্মীরা আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি ঘরছাড়া রয়েছে, কিন্তু জেলার কোনও নেতৃত্বকে পাশে দেখা যায়নি। এমনকি ফোন করলেও ফোন ধরেনি বলে অভিযোগ করেন ক্ষুব্ধ নেতা কর্মীরা। এই বিক্ষোভ চলাকালীন নিজেদের মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। এমনকি একসময় কয়েকজন বিজেপি কর্মী দলীয় কার্যালয়ে ভাঙ্গচুর করে বলে অভিযোগ।

যদিও দলীয় কার্যালয়ে ভাঙ্গচুর চালানোর দায় তৃণমূলের কাঁধে চাপিয়েছেন বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলা সভাপতি প্রত্যুষ মন্ডল। তাঁর দাবি, যারা ভাঙ্গচুর চালিয়েছে তারা কেউ বিজেপি কর্মী নন। তিনি দাবি করেন, বিধানসভা নির্বাচনের পর জেলা নেতৃত্ব নিয়মিত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন এমনকি যারা ঘরছাড়া আছেন তাদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থাও করেছেন।

যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের হাওড়া গ্রামীণ জেলা সভাপতি তথা রাজ্যের জনসাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী পুলক রায়। তিনি বলেন এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।

